অর্থ লিপি

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সোমবার ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

তৃতীয় কিস্তির ১১৫ কোটি ডলার ছাড়ের অনুমোদন দিয়েছে আইএমএফের পর্ষদ

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ কর্মসূচির তৃতীয় কিস্তির অর্থছাড় অনুমোদন করেছে সংস্থাটির পর্ষদ। গতকাল আইএমএফের নির্বাহী পর্ষদের সভায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় রিভিউ মিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে এ অনুমোদন দেয়া হয়। ফলে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ চুক্তির আওতায় এ দফায় ১১৫ কোটি ২০ লাখ ডলার পাওয়া যাবে বলে বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে। 

 বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে আগামী দুই দিনের মধ্যে কিস্তির এ অর্থ বাংলাদেশ হাতে পাবে।

গতকাল সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হক সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন। তৃতীয় কিস্তির অর্থ হাতে পেলে বাংলাদেশ সব মিলিয়ে তিন কিস্তিতে আইএমএফের কাছ থেকে পাবে প্রায় ২৩১ কোটি ডলার। এর আগে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম কিস্তিতে ৪৭ কোটি ৬৩ লাখ ডলার পেয়েছিল বাংলাদেশ। আর গত ডিসেম্বরে পেয়েছিল দ্বিতীয় কিস্তির ৬৮ কোটি ১০ লাখ ডলার।

অর্থনীতির সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ ২০২২ সালের জুলাইয়ে আইএমএফের কাছে ঋণ চায়। বাংলাদেশের ঋণ আবেদনের ছয় মাস পর সংস্থাটি গত বছরের ৩০ জানুয়ারি ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ দেবে বলে সিদ্ধান্ত নেয়। আইএমএফ জানায়, শর্তপূরণ সাপেক্ষে ২০২৬ সাল পর্যন্ত মোট সাত কিস্তিতে ঋণের এ অর্থ দেওয়া হবে।

আইএমএফের কাছে ঋণ চাওয়ার চিঠিতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, এখন সময় একটু খারাপ (ক্রিটিক্যাল টাইম)। তাই জরুরি ভিত্তিতে লেনদেনের ভারসাম্য বজায় রাখা ও বাজেট-সহায়তা বাবদ বাংলাদেশের অর্থের দরকার।

বর্ধিত ঋণসহায়তা (ইসিএফ), বর্ধিত তহবিল সহায়তা (ইএফএফ) ও রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি ফ্যাসিলিটি (আরএসএফ)—এই তিন আলাদা ভাগে মিলবে আইএমএফের ঋণ। তবে সংস্থাটি ঋণপ্রস্তাব অনুমোদনের পাশাপাশি ৩৮টি শর্তও দিয়েছে।

ঋণ পাওয়ার শর্তগুলোর মধ্যে ছিল ব্যাংকঋণের সুদের হারের সীমা তুলে দেওয়া, ডলারের দাম বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়া অর্থাৎ একটিই দাম রাখা, নির্দিষ্ট মাত্রায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রাখা, জ্বালানি তেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মিলিয়ে সব সময় সমন্বয় করা, মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) তুলনায় রাজস্ব সংগ্রহের হার বৃদ্ধি, সঞ্চয়পত্র বিক্রির মাধ্যমে ঋণ সংগ্রহ কমিয়ে আনা ইত্যাদি।

এরই মধ্যে বাংলাদেশ আইএমএফের বেশ কিছু শর্ত পূরণ করেছে। তার মধ্যে রয়েছে ব্যাংকঋণের সুদহার বাজারভিত্তিক করা। ডলারে বেঁধে দেওয়া দাম তুলে নিয়ে ক্রলিং পেগ ব্যবস্থা চালু, সময়ে সময়ে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় ইত্যাদি।

 

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।