যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্ক জটিলতা ও অস্থিরতা যখন নতুন চ্যালেঞ্জ, তখন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি আরও বেড়েছে বাংলাদেশের। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত ৫ মাসে বাজারটিতে রপ্তানি হয়েছে ৯৬৮ কোটি ৮ লাখ ৭০ হাজার ডলারের পণ্য, যা ২০২৪ সালের একই সময়ে ছিল ৮২৩ কোটি ১০ লাখ ৮০ হাজার ডলার। অর্থাৎ ২০২৪ সালের একই সময়ের তুলনায় ১৪৪ কোটি ৯৭ লাখ ৯০ হাজার ডলার সমপরিমাণ পণ্য রপ্তানি হয়েছে ইউরোপের বাজারে, যা শতাংশের হিসাবে বেড়েছে ১৭ দশমিক ৬১ শতাংশ। একই সময়ে বাজারটিতে চীনের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ২১ শতাংশ।
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্ক জটিলতা ও অস্থিরতা যখন নতুন চ্যালেঞ্জ, তখন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি আরও বেড়েছে বাংলাদেশের। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত ৫ মাসে বাজারটিতে রপ্তানি হয়েছে ৯৬৮ কোটি ৮ লাখ ৭০ হাজার ডলারের পণ্য, যা ২০২৪ সালের একই সময়ে ছিল ৮২৩ কোটি ১০ লাখ ৮০ হাজার ডলার। অর্থাৎ ২০২৪ সালের একই সময়ের তুলনায় ১৪৪ কোটি ৯৭ লাখ ৯০ হাজার ডলার সমপরিমাণ পণ্য রপ্তানি হয়েছে ইউরোপের বাজারে, যা শতাংশের হিসাবে বেড়েছে ১৭ দশমিক ৬১ শতাংশ। একই সময়ে বাজারটিতে চীনের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ২১ শতাংশ।
বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় গন্তব্য হচ্ছে ইইউ। গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট তৈরি পোশাক রপ্তানির প্রায় ৫০ শতাংশ হয়েছে ইইউর বাজারে। চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে বাংলাদেশ ইইউর বাজারে ৯৬৮ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের ৮২৩ কোটি ডলারের রপ্তানির চেয়ে ১৭ দশমিক ৬১ শতাংশ বেশি।
সামগ্রিকভাবে বাজারটিতে রপ্তানি বাড়লেও গত মে মাসটা ভালো যায়নি। ঐ মাসে বাংলাদেশ ইইউতে ১৬১ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে, যা গত বছরের মে মাসের তুলনায় ৬ দশমিক ৪৬ শতাংশ কম।
মে মাসে ইইউর বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি কমলেও বেড়েছে চীনের । চীন রপ্তানি করেছে ১৭১ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক, যা গত বছরের একই সময়ের ১৪৫ কোটি ডলারের রপ্তানির তুলনায় ১৭ দশমিক ৮৫ শতাংশ বেশি।
ইউরোস্ট্যাটের আরেক তথ্যানুযায়ী, ইইউতে চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জানুয়ারি-মে) ১ হাজার ১০ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে চীন, যা গত বছরের একই সময়ের ৮৩৫ কোটি ডলারের রপ্তানির তুলনায় ২০ দশমিক ৮৬ শতাংশ বেশি। ইইউর বাজারে চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে ৩৮৭ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে তুরস্ক, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ শতাংশ কম। এ ছাড়া ভারত চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে ২৫১ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৬ শতাংশ বেশি। গত মে মাসে ভারত ৫০ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করে। এ ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২ শতাংশ।
একক দেশ হিসেবে তৈরি পোশাকের বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাল্টা শুল্কের কারণে গত এপ্রিল থেকে বাজারটিতে অস্থিরতা চলছে। চীনা পণ্যের ওপর ট্রাম্পের উচ্চ শুল্ক আরোপের কারণে চীনের অনেক তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ইইউর বাজারে ঝুঁকছে। এ কারণেই ইইউতে চীনের তৈরি পোশাক রপ্তানি বাড়ছে বলে জানান বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকেরা।
তারা বলেন, বাংলাদেশি পণ্যে আরোপ করা ট্রাম্পের পাল্টা শুল্ক কমানো না হলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানি কমবে। পাশাপাশি ইইউর বাজারেও তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হবে।