অর্থ লিপি

৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ মঙ্গলবার ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

ডায়াবেটিস রিভার্স করার উপায় (শেষ পর্ব)

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

ডায়াবেটিস রিভার্স প্রতিরোধ করার ন্যাচারাল পন্থা :

যত কিছুই করুন না কেন, শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট বা মেদ বার্ন না করা পর্যন্ত ডায়াবেটিসরিভার্স বা প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। রিসার্চে দেখা গেছে, যার ডায়াবেটিসের ঝুঁকি আছে সেমাত্র % ওজন কমালেই ৫৮% ঝুঁকি কমে যায়। স্থুল মানুষের ১০% ওজন কমলে ঝুঁকিকমে ৮৫%

ওজন কমাবেন কিভাবে?  প্রচলিত ব্যর্থ প্রক্রিয়া:

বেশি বেশি এক্সারসাইজডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তি এক্সারসাইজ করার শক্তিই পায়না।

লো ক্যালরি ডায়েট : ক্যালরি মেপে খেয়ে খাওয়া অকার্যকর পন্থা। সব খাবারের ক্যালরিরক্তে গ্লুকোজ লেভেলে সমান প্রভাব পড়ে না।

ডায়াবেটিস রিভার্স করতে একইসাথে রক্তের হাই গ্লুকোজ লেভেল (হাইপার গ্লাইসেমিয়া) এবং হাই ইনসুলিন লেভেল (হাইপার ইনসুলিনেমিয়া) দূর করতে হবে।

নিম্নে পদ্ধতি উল্লেখ করা হলো :

রুল : ফ্রুক্টোজ যুক্ত খাদ্য পরিহার।

চিনি, কর্ন সিরাপ, সফট ড্রিংকস, জুস, এনার্জি ড্রিংকস, মিষ্টি, মিষ্টি দই, কেক, ডেজার্ট, আইসক্রিম, মাফিন,ক্যান্ডি, আচার, কেচাপ, টমেটো সচ, ড্রাই ফ্রুটস (খেজুর, রেজিন ইত্যাদি)

ফলে কিছু ফ্রুক্টোজ থাকলেও ফাইবার, প্রোটিন, ফ্যাট, পানি ইত্যাদি মিলে ফল কমপ্লেক্সখাবার এবং গ্লাইসেমিক ইন্ডেক্স/লোড কম। তবে, অতিরিক্ত মিষ্টি ফল সাময়িক নিয়ন্ত্রণকরাই শ্রেয়।

রুল : রিফাইন কার্বোহাইড্রেট নিয়ন্ত্রণ এবং ন্যাচারাল ফ্যাট বৃদ্ধি। (লো কার্ব হাই ফ্যাট, LCHF ডায়েট)

() কার্বোহাইড্রেট নিয়ন্ত্রণ/পরিহার :

ময়দা, লাল আটা, কর্ন ফ্লাওয়ার, চালের গুঁড়া আলু দ্বারা তৈরি সকল খাবার ,সাদাভাত, পাউরুটি, বিস্কুট, পাস্তা, কেক, নুডলস, পিঠা, ডোনাট, ফাস্ট ফুড ফ্রেরেঞ্চ ফ্রাই, পপকর্ন, চিপস, মুড়ি।

() ন্যাচারাল ফ্যাট খাওয়া বৃদ্ধি:

মাছের তেল, ডিমের কুসুম, গ্রাসফিড বাটার, ঘি,অলিভ অয়েল, কোকোনাট অয়েল, নাটস সিডস ,ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রসেসড তেল পরিহার (সয়াবিন, সানফ্লাওয়ার, রাইস বার্ণ, পাম, ক্যানোলা)

রুল : কেবল রিয়্যাল ফুড গ্রহণ।

(কেবল প্রকৃতি সৃষ্ট খাবারমনুষ্য সৃষ্ট নয়)মাছ, মুরগী, ডিম, গ্রাসফিড রেড মিট (গরু, খাসি, ভেড়া) শাকসবজি ফলমূল।

রুল : ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং

যদি উপরের টা রুলস প্রতিপালনের পরও আশানুরূপ ফল না পাওয়া যায়, তবেইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করতে হবে।

২৪ ঘন্টা ফাস্টিং সপ্তাহে দিন। অথবা ১৬ ঘন্টা ফাস্টিং সপ্তাহে দিন।

ফাস্টিং পিরিয়ডে পানি, গ্রিন টি, বুলেট কফি খাওয়া যাবে।

 

লিখেছেন

Engr. Shafiqul Islam

সূত্র : The Diabetes Code by Dr. Jason Fung

 

The Diabetes Code by Dr. Jason Fung এই বই পড়ে ডায়াবেটিস নিয়ে আরও অনেক তথ্য পাওয়া যাবে।কেউ যদি ডায়াবেটিস নিয়ে আমার লেখা ধারাবাহিক ভাবে পর্বে উল্লেখিত বিষয়গুলি পড়ে মেনে চলেন,তাহলে তিনি ঔষধ ছাড়াই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রন করতে পারবে ইনশাআল্লাহ।

Author

  • 'অর্থ লিপি ডট কম' একটি নির্ভরযোগ্য শেয়ার বাজার ভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল। অর্থ ও বাণিজ্য, রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণমূলক লেখা প্রকাশ করে।

    'অর্থ লিপি ডট কম' শেয়ার মার্কেটের প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সততার সহিত পরিবেশন করে এবং কোন সময় অতিরঞ্জিত, ভুল তথ্য প্রকাশ করেনা এবং গুজব ছড়ায়না, বরং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে বদ্ধ পরিকর। এটি একটি স্বাধীন, নির্দলীয় এবং অলাভজনক প্রকাশনা মাধ্যম।

    View all posts
Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।