চাল আমদানি নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে ভারত শুল্ক প্রত্যাহার করলেও ন্যূনতম রপ্তানিমূল্য বেঁধে দেওয়ায়।
আমদানিকারকেরা বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে চাল আমদানি করে লাভ থাকবে না। এদিকে চালের দাম বাড়তে থাকায় বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ। ভারত থেকে চাল আমদানি হলে দাম কমার আশায় আছেন ব্যবসায়ীরা।
চালের দাম নিয়ন্ত্রণে ২০ অক্টোবর আমদানি শুল্ক ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করে সরকার। এতে ব্যবসায়ীদের মধ্যে চাল আমদানির আগ্রহ তৈরি হয়। তবে ভারত ন্যূনতম রপ্তানিমূল্য নির্ধারণ করে দেওয়ায় আমদানি নিয়ে সংশয়ে আছেন তারা।
আমদানিকারকদের দাবি, চালের ন্যূনতম রপ্তানিমূল্য ৪৯০ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করেছে ভারত। এতে সেখানকার চালের দাম পড়বে ৫৮ থেকে ৬০ টাকা কেজি। অথচ দেশের বাজারে চালের দাম ৫২ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে। এ কারণেই চাল আমদানিতে আগ্রহ পাচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা।
এদিকে ক্রেতারা বলছেন, ধানের বেশি দামের অজুহাতে হঠাৎ চালের দাম বাড়িয়েছেন মিল মালিকেরা। সপ্তাহের ব্যবধানে হিলিতে সব চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ৩ থেকে ৪ টাকা।
এ বিষয়ে হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম প্রামানিক বলছেন, এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবসায়ী চাল আমদানির আবেদন করেননি। আমদানি শুরু হলে দ্রুত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ছাড়পত্র দেওয়া হবে।
২০২৩ সালের ৩০ মার্চের পর থেকে হিলি বন্দর দিয়ে চাল আমদানি বন্ধ রয়েছে।
Author
-
'অর্থ লিপি ডট কম' একটি নির্ভরযোগ্য শেয়ার বাজার ভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল। অর্থ ও বাণিজ্য, রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণমূলক লেখা প্রকাশ করে।
View all posts
'অর্থ লিপি ডট কম' শেয়ার মার্কেটের প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সততার সহিত পরিবেশন করে এবং কোন সময় অতিরঞ্জিত, ভুল তথ্য প্রকাশ করেনা এবং গুজব ছড়ায়না, বরং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে বদ্ধ পরিকর। এটি একটি স্বাধীন, নির্দলীয় এবং অলাভজনক প্রকাশনা মাধ্যম।