আজ ঐতিহাসিক ২৬শে মার্চ, আজকের এই দিনে স্বাধীনতার আন্দোলন সংগ্রামে যারা যুক্ত ছিলেন তাদের সবার প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, চির কৃতজ্ঞতা। স্বাধীনতা বাংলা বাঙ্গালি, আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন। আর এই শ্রেষ্ঠ অর্জনের সমস্ত বিষয়গুলো জানার জন্য দরকার স্বাধীনতার ইতিহাস।
সেই ইতিহাস জানার জন্যই এরশাদ সরকারের সময় হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত ১৫ খন্ডে সংগৃহীত প্রকাশিত ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিল পত্র’ ছাপা হয়েছিল মাত্র চার হাজার কপি। সেই বইয়ের কোন দ্বিতীয় মুদ্রণ হয়নি। ভাবা যায় ১৮ কোটি মানুষের দেশ বাংলাদেশে বইটির মুদ্রণকপি মাত্র চার হাজার, কিন্তু এটাই সত্যি। আপনি যদি কিনতে চান কোন দোকানে পাবেন না, মনে হবে এ বই যেন বাংলাদেশে নিষিদ্ধ। অথচ স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে (কে ঘোষণা করেছেন) কত লেখা, কত পন্ডিত সাহিত্যিকদের।
স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরেও আজকের খবরের কাগজে দেখতে হয় কে হবেন মুক্তিযোদ্ধা কে হবেন সহযোগী এই নিয়ে সরকারি মহলের দৌড়ঝাঁপ। অথচ এই বইটি নিয়ে কারো কোন মাথা ব্যাথা নাই।
কারণ স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস যত বেশি মানুষ জানবে, ততই দলবাজ দলগুলোর সমস্যা হবে।
তাইতো সরকার আসে যায় কিন্তু এই বইটি প্রকাশ, প্রচার করার বিষয়ে তারা চুপ থাকেন। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার এই বইটি কি নতুন করে ছাপানোর ব্যবস্থা করবেন? হায়রে সেলুকাস কি অদ্ভুত আমরা বাঙালিরা (বাংলাদেশীরা)।
সরকারের কাছে অনুরোধ করব- ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ:দলিল পত্র’পুনঃ পুনঃ প্রকাশ করে প্রতিটি স্কুল, কলেজ, পাবলিক লাইব্রেরীতে বিতরণ করার জন্য। যাতে করে সব শ্রেণীর মানুষ উক্ত বইটি পড়তে পারেন। এই কাজ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় করতে পারে।