অর্থ লিপি

২৫ অক্টোবর ২০২৬ রবিবার ৯ কার্তিক ১৪৩৩

৭০০ মিলিয়ন ডলার জাপানের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ৩.৪২ বিলিয়ন ডলার। তবে দুই দেশের বাণিজ্যে ভারসাম্য নেই।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে জাপান থেকে বাংলাদেশ আমদানি করেছে ২.০৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য। বিপরীতে রপ্তানি করেছে ১.৩৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য। এতে দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৭০০ মিলিয়ন ডলারে। এ ঘাটতি কমানোর পাশাপাশি জাপানের বাজারে রপ্তানি বাড়ানো এবং বিনিয়োগ আকর্ষণকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর জাপান সফরকে ঘিরে এ সম্ভাবনা নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সফরে দুই দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শিল্প সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাওয়ার কথা রয়েছে।

জাপানের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানির বড় অংশ তৈরি পোশাকনির্ভর। দেশটিতে বছরে ১৪০ কোটি ডলারের বেশি পোশাক রপ্তানি করে বাংলাদেশ। মোট রপ্তানির প্রায় ৮০ শতাংশই এ খাতের পণ্য। জাপানে পোশাক রপ্তানি বাড়িয়ে ৩০০ কোটি ডলারে নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ।

তবে রপ্তানির ভিত্তি বিস্তৃত না হলে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো কঠিন হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। পোশাকের পাশাপাশি প্রকৌশল পণ্য, ওষুধ, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য এবং উচ্চ মূল্যসংযোজিত পণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

জাপানের সংবাদমাধ্যম নিক্কেইয়ের প্রতিবেদনের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে এক ট্রিলিয়ন ইয়েন বা প্রায় ৬.৩৬ বিলিয়ন ডলারের বেসরকারি বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে।
অন্যদিকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ ২০২৬ থেকে ২০৩১ মেয়াদে প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলারের কৌশলগত বিনিয়োগ ও সহযোগিতা প্যাকেজের প্রস্তাব তৈরির প্রস্তুতি নিচ্ছে।

প্রস্তাবিত উদ্যোগে উৎপাদন শিল্প, সেমিকন্ডাক্টর, গাড়ি ও যন্ত্রাংশ, পরিবহন অবকাঠামো, জ্বালানি এবং জলবায়ু সহনশীলতা খাতকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশে জাপানি প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩৩৮টি। ২০৩০ সালের মধ্যে এ সংখ্যা ৫০০-তে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে।

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে স্বাক্ষরিত অর্থনৈতিক অংশীদারি চুক্তি (ইপিএ) রপ্তানি সম্প্রসারণে নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে। তবে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে কাস্টমসের দীর্ঘসূত্রতা, করসংক্রান্ত জটিলতা, অর্থ পরিশোধের সমস্যা ও নীতির ধারাবাহিকতা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ দূর করা জরুরি।

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।