তাকবিরে তাশরিক পড়া শুরু হয়েছিল গত ৯ জিলহজ্জ (১৬ জুন) ফজর থেকে, যা আজ ২০ জুন তারিখ আসর নামাজ পর্যন্ত পড়তে হবে এ তাকবির। হজের মাস জিলহজের ৯–১৩ তারিখ পর্যন্ত এই ৫ দিন মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পর তাকবিরে তাশরিক ১ বার পড়া ওয়াজিব বা আবশ্যক আমল।
চলতি বছর ১৪৪৫ হিজরির জিলহজ মাস হিসেবে ২০২৪ সনের ১৬ শে জুন (রবিবার) ফজরের নামাজ থেকে তাকবিরে তাশরিক পড়া শুরু হয়েছিল। জুন মাসের ২০ তারিখ বৃহস্পতিবার আসরের নামাজ পর্যন্ত এ তাকবির পড়তে হবে। জিলহজ মাসের এ পাঁচ দিন তাকবিরে তাশরিক পড়া ওয়াজিব।
তাকবির, তাহলিল ও তাহমিদের এগুচ্ছ মালাকে তাকবিরে তাশরিক বলা হয়। মহান আল্লাহতালার বড়ত্ব, প্রশংসা ও একত্ববাদের স্বীকৃতিতে ভরপুর এ তাকবির।

তাকবিরে তাশরিক
اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إلَهَ إلَّا اللَّهُ وَاَللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ
উচ্চারণ : ‘আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর; লা–ইলাহা ইল্লাল্লাহু; ওয়াল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর; ওয়ালিল্লাহিল হামদ্।’
অর্থ : ’আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই; আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; সব প্রশংসা মহান আল্লাহ জন্য।’
কারা পড়বেন তাকবিরে তাশরিক
প্র্যত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক নারী–পুরুষ, সবার জন্য একাকি কিংবা জামাআতে ফরজ নামাজ আদায়ের পর একবার তাকবিরে তাশরিক আদায় করা ওয়াজিব।
এই তাকবির জোর আওয়াজে বলা ওয়াজিব। তবে নারীরা আস্তে বলবে। নামাজের সালাম ফেরানোর সঙ্গে সঙ্গে এই তাকবির বলতে হবে। ইমাম যদি বলতে ভুলে যানও তবু মুক্তাদিরা সালাম ফেরানোর সঙ্গে সঙ্গে বলবেন।
তাকবিরে তাশরিক সবার জন্য ১ বার পড়া ওয়াজিব আর ৩ বার পড়া মুস্তাহাব।
আল্লাহতাআলা মুসলিম উম্মাহকে ২৩ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পর তাকবিরে তাশরিক পড়ার মাধ্যমে আল্লাহর বড়ত্ব, একত্ববাদের ঘোষণা ও প্রশংসা করে যথাযথ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করার তাওফিক দান করুন।
Author
-
'অর্থ লিপি ডট কম' একটি নির্ভরযোগ্য শেয়ার বাজার ভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল। অর্থ ও বাণিজ্য, রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণমূলক লেখা প্রকাশ করে।
View all posts
'অর্থ লিপি ডট কম' শেয়ার মার্কেটের প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সততার সহিত পরিবেশন করে এবং কোন সময় অতিরঞ্জিত, ভুল তথ্য প্রকাশ করেনা এবং গুজব ছড়ায়না, বরং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে বদ্ধ পরিকর। এটি একটি স্বাধীন, নির্দলীয় এবং অলাভজনক প্রকাশনা মাধ্যম।