কথায় আছে স্বাস্থ্যই সকল সুখের মুল, একটি সঠিক করে বললে বলতে হয় “সুস্বাস্থ্যই সকল সুখে মুল”।
সুস্থ থাকার অপরিহার্য উপাদান ভিটামিন ডি। হাড়, দাঁত, মাংসপেশি ভাল রাখার জন্য পর্যাপ্ত পরিমানে ভিটামিন ডি দরকার। খাদ্য থেকে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণ করতে ভিটামিন-ডি লাগবেই। ইমিউনিটি সিস্টেম বুস্টার এর জন্য ভিটামিন-ডি প্রয়োজন। হাড়ক্ষয়, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, দুর্বলতা, ডিপ্রেশন ইত্যাদির ঝুঁকি কমাতে ভিটামিন-ডি কাজ করে।
ভিটামিন এর উৎস কি ?
মাত্র গুটিকয়েক খাবার থেকে ভিটামিন ডি পাওয়া যেমন তৈলাক্ত মাছ – স্যামন, সার্ডিন, টুনা, ম্যাকারেল, কড মাছের লিভার অয়েল, গরুর/খাসির কলিজা (যে পশু রোদে ঘাস খায়), ডিমের কুসুম, মাশরুম ইত্যাদি
এর অধিকাংশ আমাদের দেশে পাওয়া খুব কঠিন। আমাদের প্রতিদিন ৬০০ IU পরিমাণে ভিটামিন ডি লাগে। কলিজা ও ডিমের কুসুম থেকে প্রাপ্ত ভিটামিন ডি খুবই অপ্রতুল। অর্থাৎ আমাদের দেশে খাদ্য থেকে ভিটামিন ডি এর চাহিদা পূরণ প্রায় অসম্ভব ব্যাপার। এজন্য বাংলাদেশে অন্তত ৭০% মানুষের ভিটামিন ডি ডেফিসিয়েন্সি আছে।
তা হলে উপায় ?
আসলে ভিটামিন ডি এর প্রধান উৎস রোদ। আমাদের স্কিনের নিচে অবস্থিত তেল (কোলেস্টেরল) এর উপর সূর্যের আল্ট্রা ভায়োলেট রশ্মি পড়লে পর্যাপ্ত পরিমানে ভিটামিন ডি তৈরি হয়। এজন্য ভিটামিন ডি এর চাহিদা পূরণের জন্য আপনাকে রোদে যেতেই হবে। সকাল ১০ টা হতে বেলা ৩ টার মধ্যে খালি গায়ে অন্তত ৩০ মিনিট রোদে থাকতে হবে। আর যারা রোদে যায় না, তাদের ডেফিসিয়েন্সি হবেই। এর কোন বিকল্প নাই।
প্রকৃতপক্ষে, সারাদিন ঘরে বসে থাকার জন্য আমাদের জন্ম হয়নি। সুস্থ থাকার জন্য দিনের কিছু অংশ সূর্যের আলোতে কাঁটাতেই হবে। এটাই প্রকৃতির বিধান।