অর্থ লিপি

১৩ মে ২০২৬ বুধবার ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩

ব্যাংকিং সেক্টরের চাপে সূচক নিম্নমুখী, তবুও কিছু স্টকে চাঙ্গা প্রবণতা

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

পুঁজিবাজারে আজকের লেনদেনে প্রধান সূচকগুলোতে নেতিবাচক প্রবণতা দেখা গেলেও বাজার জুড়ে একেবারে হতাশার চিত্র ছিল না। বিশেষ করে ব্যাংকিং খাতের চাপ সূচককে নিচের দিকে টেনে নামালেও অন্যান্য কিছু খাত ও নির্বাচিত স্টকে ইতিবাচক গতি লক্ষ্য করা গেছে।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ডিএসইএক্স (DSEX) সূচক দিনশেষে দাঁড়িয়েছে ৫২৬৫.৩৯ পয়েন্টে, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ২১.৪৮ পয়েন্ট বা ০.৪০ শতাংশ কম। একইভাবে ডিএসইএস (DSES) সূচক কমেছে ২.৪৫ পয়েন্ট এবং ডিএস৩০ (DS30) সূচক সামান্য ১.৮৮ পয়েন্ট বেড়েছে, যা বড় মূলধনী কিছু শেয়ারের আংশিক স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দেয়।

ব্যাংকিং খাতের চাপ

আজকের বাজারে প্রধান আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল ব্যাংকিং সেক্টর। তালিকাভুক্ত ১০টি ব্যাংক টানা দুই বছর লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তরিত হয়েছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি হয় এবং ব্যাংক খাতের বেশিরভাগ শেয়ারে বিক্রির চাপ বাড়ে।
এই নেতিবাচক প্রভাব সরাসরি সূচকে প্রতিফলিত হয়েছে।

লেনদেন চিত্র

আজ ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে প্রায় ৮,২৯৩ কোটি টাকার (৮২৯৩.৭৫৩ মিলিয়ন টাকা), যা আগের দিনের তুলনায় কিছুটা কম। মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ২৯ কোটি ২৬ লাখ শেয়ার।
লেনদেনে অংশ নেয়া কোম্পানির মধ্যে ১৬৫টির দাম বেড়েছে, ১৮০টির কমেছে এবং ৫১টি অপরিবর্তিত রয়েছে—যা বাজারে মিশ্র প্রবণতার ইঙ্গিত দেয়।

ইতিবাচক দিকও ছিল

ব্যাংকিং খাতের চাপ থাকা সত্ত্বেও বাজারের অন্যান্য কিছু সেক্টর—বিশেষ করে কিছু নন-ব্যাংকিং ও ম্যানুফ্যাকচারিং স্টকে ক্রেতাদের আগ্রহ দেখা গেছে। নির্বাচিত কয়েকটি শেয়ারে দরবৃদ্ধি বাজারে আংশিক প্রাণ ফিরিয়েছে।

ডিএস৩০ সূচকের সামান্য ঊর্ধ্বগতি ইঙ্গিত দেয় যে বড় মূলধনী কিছু শেয়ার এখনো স্থিতিশীল রয়েছে, যা বাজারের জন্য একটি ইতিবাচক দিক।

সার্বিক মূল্যায়ন

সার্বিকভাবে আজকের বাজারে ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা সূচককে নিচের দিকে নামালেও পুরো বাজারে একমুখী পতন হয়নি। বরং খাতভিত্তিক বৈচিত্র্য এবং কিছু স্টকে চাঙ্গা প্রবণতা বিনিয়োগকারীদের জন্য আশার বার্তা দিচ্ছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ব্যাংকিং খাতে আস্থা ফিরিয়ে আনতে পারলে এবং লভ্যাংশ সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা কমলে বাজার আবার স্থিতিশীল ধারায় ফিরতে পারে। ততদিন পর্যন্ত খাতভিত্তিক বাছাই করে বিনিয়োগ করাই হতে পারে বিনিয়োগকারীদের জন্য সবচেয়ে বাস্তবসম্মত কৌশল।

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।