সুস্থ হার্ট ♥ সুস্থ জীবন : পর্ব-৬
কিভাবে বুঝবেন আপনার হার্ট ভাল আছে?
১. হার্ট রেট (বিট) – রেস্টিং হার্ট রেট প্রতি মিনিটে ৬০ থেকে ১০০ টি। তবে ৫০ থেকে ৭০ এর মধ্যে হলে বেটার। যত কম, তত ভাল।
২. ব্লাড প্রেসার – স্বাভাবিক প্রেসার ১২০/৮০ এর কম। এর উপরে গেলেই সতর্ক হতে হবে।
৩. এনার্জি লেভেল – হার্ট ভাল থাকলে টিস্যুতে যথেষ্ট পরিমানে অক্সিজেন ও পুষ্টি উপাদান পৌঁছাতে পারে। ফলে এলার্জি লেভেল হাই থাকবে। আর হার্টে সমস্যা থাকলে, ক্রনিক ক্লান্তি থাকবে।
৪. কোলেস্টেরল ও গ্লুকোজ – রক্তে কোলেস্টেরল, টিজি ও গ্লুকোজ এর মাত্রা স্বাভাবিক থাকবে। মাত্রা বাড়লেই সতর্ক হতে হবে।
৫. কুইক রিকোভারি রেট – এক্সারসাইজ এর কারণে হার্ট রেট বেড়ে যাবার পর রেস্টিং পিরিয়ডে দ্রুত হার্ট রেট কমে আসবে – মিনিটে ২০ বা বেশি।
৬. হেলথি ব্রেথিং – হাঁটাহাঁটি, জগিং, সাঁতার, সিড়ি ভাঙা বা কোন কাজ করতে সহজে হাঁপিয়ে উঠবেন না। তার মানে আপনার হার্ট যথেষ্ট অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহে সক্ষম।
৭. মুখের সুস্বাস্থ্য – মুখে ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাস ইনফেকশন সচারাচর হবে না।

আমরা জানি, একটি ক্লোজড পাইপলাইন সিস্টেমের ভিতর দিয়ে রক্ত চলাচল করে এবং হার্ট পাম্প মোটর হিসেবে কাজ করে। এখন কোন কারণে রক্তের চাপ বেড়ে গেলে হার্ট, কিডনি ও রক্তনালির উপর বাড়তি চাপ পড়বে। ফলে এসব অঙ্গ আংশিক নষ্ট এমনকি বিকল হয়ে যেতে পারে।
উচ্চ রক্তচাপ যেসব রোগ-ব্যধি তৈরি করে :
১. হার্ট এটাক ২. ব্রেইন স্ট্রোক ৩. হার্ট ফেইলর ৪. কিডনি সমস্যা ৫. চোখের সমস্যা ৬. মেটাবলিক সিন্ড্রোম ৭. মেমোরি সমস্যা ও ডিমেনশিয়া ৮. মাথাব্যথা, বমিবমি ভাব ৯. দুর্বলতা ১০. উদ্বিগ্নতা, অস্থিরতা ১১. বুকে পেইন, মাসল পেইন ১২. হঠাৎ মৃত্যু।
চলবে…….