অর্থ লিপি

৫ জুন ২০২৬ শুক্রবার ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

শ্রমিকদের কথা বিবেচনা করে বেশি দামে পোশাক কিনতে রাজি বৈশ্বিক ক্রেতারা

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

বাংলাদেশ থেকে বেশি দামে পোশাক কিনতে রাজি বৈশ্বিক ক্রেতারা।সম্প্রতি দেশে গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ এবং তাদের অধিকারের প্রতি সমর্থন জানাতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক বেশি দামে কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে HNM , GAP এর মতো বৈশ্বিক ব্র্যান্ডের ক্রেতারা।এই পদক্ষেপ নিয়েছে এক হাজারের বেশি ব্র্যান্ডের প্রতিনিধিত্বকারী যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক আমেরিকান অ্যাপারেল অ্যান্ড ফুটওয়্যার অ্যাসোসিয়েশন (AAFA)।

তারা জানিয়েছেন যে,ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর ফলে শতাংশ বাড়তি উৎপাদন ব্যয়ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়া হবে। আমেরিকান অ্যাপারেল অ্যান্ড ফুটওয়্যার অ্যাসোসিয়েশন(AAFA) প্রধান নির্বাহী স্টিফেন লামার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে মেইলে তথ্যজানিয়েছেন।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের পর বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে বড় পোশাকরপ্তানিকারক দেশ। গত / সপ্তাহে, পুলিশ এবং কারখানার শ্রমিকদের মধ্যে মারাত্মকবিক্ষোভের পরে সরকার ডিসেম্বর থেকে ন্যূনতম মাসিক মজুরি প্রায় ৬০ শতাংশ বাড়িয়ে১২,৫০০ টাকা (১১৩ ডলার) করতে বাধ্য হয়েছে। গত পাঁচ বছরের মধ্যে এটিই প্রথম বেতনবৃদ্ধি।

কারখানার মালিকদের দাবি, মজুরি বাড়ানোর ফলে তাদের উৎপাদন ব্যয় অন্তত থেকে শতাংশ বেড়ে যাবে। কারণ, শ্রমনির্ভর শিল্পের ১০ থেকে ১৩ শতাংশ ব্যয়ই হয় মজুরিতে।

আমেরিকান অ্যাপারেল অ্যান্ড ফুটওয়্যার অ্যাসোসিয়েশন (AAFA) প্রধান নির্বাহী স্টিফেনলামার রয়টার্সকে বলেছেন, ‘যেমন আমরা এবং আমাদের সদস্যরা এখন বেশ কয়েকবারপুনরাবৃত্তি করেছি, আমরা মজুরি বৃদ্ধিকে সমর্থন করার জন্য দায়িত্বশীল ক্রয় পদ্ধতির প্রতিপ্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা একটি বার্ষিক ন্যূনতম মজুরি পর্যালোচনা পদ্ধতি গ্রহণের জন্যআমাদের আবেদনও পুনর্নবীকরণ করছি যাতে বাংলাদেশি শ্রমিকরা সামষ্টিক অর্থনৈতিকঅবস্থার পরিবর্তনের ফলে সুবিধাবঞ্চিত না হয়।

কম মজুরির কারণে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প গড়ে উঠেছে। এই শিল্পে প্রায় ৪০ লাখ লোককাজ করে। এমনকি তৈরি পোশাক দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি জিডিপিরপ্রায় ১৬ শতাংশ।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার তথ্য অনুসারে, ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির পরেও বাংলাদেশ অন্যান্যআঞ্চলিক পোশাক উৎপাদনকারী দেশ যেমন ভিয়েতনাম থেকে পিছিয়ে আছে যেখানে গড়মাসিক মজুরি ২৭৫ ডলার এবং কম্বোডিয়ায় ২৫০ ডলার। শ্রমিকরাও বলেছেন, তাদের মজুরিবৃদ্ধির পরেও অনেক কম।

গত মাসে আমেরিকান অ্যাপারেল অ্যান্ড ফুটওয়্যার অ্যাসোসিয়েশন (AAFA) এর বেশকয়েকজন সদস্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বলেছিলেন, তারা চান শ্রমিকদেরমজুরি বাড়ুক এবং মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় আনা হোক, যা বর্তমানে শতাংশে রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপের খুচরা বিক্রেতারাই বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের প্রধান ক্রেতা।বেশিরভাগ ভোগ্যপণ্যের খুচরা বিক্রেতাদের মতো ফ্যাশন কোম্পানিগুলো উচ্চ ইনভেন্টরিএবং মন্থর বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে লড়াই করছে। মূল বাজারের ক্রেতারা সংকটের কারণে কমকম কিনছে।

বাংলাদেশ থেকে বেশি দামে পোশাক কিনতে রাজি বৈশ্বিক ক্রেতারা এমন খবর টি নিঃসন্দেহেপোশাক শিল্পের জন্যে একটি সুখবর বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকগন।

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।