অর্থ লিপি

২২ জুলাই ২০২৬ বুধবার ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ও ডেপুটি গভর্নরদের পরিবারের সদস্যদেরও হিসাব তলব

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক তিন গভর্নর ও চার ডেপুটি গভর্নরের পাশাপাশি তাঁদের স্ত্রী–সন্তান ও সন্তানদের স্বামী বা স্ত্রীর হিসাবও তলব করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) সাবেক প্রধান আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান ও মাসুদ বিশ্বাস এবং তাঁদের স্ত্রী–সন্তান ও সন্তানদের স্বামী বা স্ত্রীর হিসাবও তলব করা হয়েছে।

তাঁদের কারও কারও বিরুদ্ধে ব্যাংক দখল করে অর্থ লোপাটে সহায়তার পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে টাকা ছাপিয়ে দেওয়ার অভিযোগ আছে। এমন নানা অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের অনুরোধে গতকাল বুধবার ব্যাংকগুলোকে হিসাব তলবসংক্রান্ত চিঠি দিয়েছে বিএফআইইউ। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের এক বছর পর এখন আর্থিক খাতের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে।

যাঁদের পরিবারের হিসাব তলব করা হয়েছে, তাঁরা হলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান, ফজলে কবির ও আব্দুর রউফ তালুকদার। এর মধ্যে ফজলে কবিরের মেয়াদে ব্যাংক দখল করে লুটপাট শুরু হয়। এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকে আব্দুর রউফ তালুকদারের মেয়াদেও। এ ছাড়া আব্দুর রউফ তালুকদারের মেয়াদে টাকা ছাপিয়ে ঋণ দিয়ে ব্যাংকগুলো থেকে অর্থ লোপাটের সুযোগ দেওয়া হয়।

এ ছাড়া সাবেক যেসব ডেপুটি গভর্নরের ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়েছে, তাঁরা হলেন সরকার পতনের পর দুদকের মামলায় কারাগারে থাকা এস কে সুর চৌধুরী, সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস এম মনিরুজ্জামান, কাজী ছাইদুর রহমান ও আবু ফরাহ মো. নাছের। এর মধ্যে এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে আওয়ামী–ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের অবৈধ সুবিধা ও আবু ফরাহ মো. নাছেরের বিরুদ্ধে নীতিমালা শিথিল করে সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ আছে।

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।