চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ স্থায়ী আমানত হিসাবে রাখা ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা ফেরত চাওয়ার পর এবার ৯টি ব্যাংকের সঙ্গে লেনদেন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্যে এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে থাকা ব্যাংকও আছে।
আজ রোববার (১ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব ওমর ফারুক।
তিনি বলেন, এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে থাকা চারটি ব্যাংকে চট্টগগ্রাম বন্দরের ৯২৭ কোটি টাকা স্থায়ী আমানত রয়েছে। ব্যাংকগুলোকে এ অর্থ ফেরত দিতে বলা হয়েছে। মূলত দরপত্র দাখিলের সময় টেন্ডারে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে জামানত হিসেবে পে–অর্ডার নেয়া হয়।
আবার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তির জন্য ব্যাংক গ্যারান্টি নেয়া হয়। এসব পে-অর্ডার কিংবা ব্যাংক গ্যারান্টি নগদায়নের ক্ষেত্রে যাতে বন্দর কোনো সমস্যায় না পড়ে, সেজন্য সতর্কতামূলক এই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) সংস্থাটির প্রধান অর্থ ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুস শাকুর এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেন। চিঠিতে লেনদেন স্থগিত করা ব্যাংকগুলোর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
এগুলো হলো গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক এবং পদ্মা ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংক। এসব ব্যাংকের সব ধরনের পে অর্ডার, চেক এবং গ্যারান্টি গ্রহণ না করতে বলা হয়েছে চিঠিতে।
এছাড়া গত সপ্তাহে এস আলমের চারটিসহ মোট পাঁচটি ব্যাংকে স্থায়ী আমানত হিসাবে থাকা চট্টগ্রাম বন্দরের ১২শ’ কোটি টাকা ফেরত চাওয়া হয়েছিল।
Author
-
'অর্থ লিপি ডট কম' একটি নির্ভরযোগ্য শেয়ার বাজার ভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল। অর্থ ও বাণিজ্য, রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণমূলক লেখা প্রকাশ করে।
View all posts
'অর্থ লিপি ডট কম' শেয়ার মার্কেটের প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সততার সহিত পরিবেশন করে এবং কোন সময় অতিরঞ্জিত, ভুল তথ্য প্রকাশ করেনা এবং গুজব ছড়ায়না, বরং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে বদ্ধ পরিকর। এটি একটি স্বাধীন, নির্দলীয় এবং অলাভজনক প্রকাশনা মাধ্যম।