বেশ কিছু দিন যাবৎ পুঁজিবাজার বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ খবর গুলি ডিএসই, সিএসই ও বিএসইসি এর ওয়েবসাইটে নিউজ প্রকাশ করার আগেই অনলাইন পোর্টালে খবর ছাপিয়ে বিনিয়োগকারিদের দুশ্চিন্তায় ফেলা হচ্ছে বিনিয়োগকারীদের।
কখনো কখনো খবর গুলো সত্য হচ্ছে আবার কিছু কিছু খবর মিথ্যা বলে প্রমাণিত হচ্ছে। আবার কিছু কিছু খবরের কোন ভিত্তিই থাকেনা। এই সব কারণে বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন সময় আতংকিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
গত ২২ শে জুন ২০২৩, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আটটি কোম্পানি নগদ লভ্যাংশ সঠিক সময়ে বন্টন না করার জন্য কোম্পানিগুলিকে শাস্তি স্বরূপ জেড ‘Z’ ক্যাটাগরিতে চলে গিয়েছে এমন নিউজ আসে ২ টি অনলাইন পোর্টালে। যার ফলে সেই ৮ টি কোম্পানির দাম পতনে চলে গিয়েছিল।
কিন্তু পরের সপ্তাহে ২৫ শে জুন ২০২৩, ডিএসইর নিউজ বিভাগে খবর প্রকাশিত হল ৫টি কোম্পানি – এপোলো ইস্পাত, সুরিদ, নুরানী ডায়িং, আরএসআরএম স্টিল ও নর্দান জুট জেড ক্যাটাগরিতে চলে গিয়েছে।
উল্লেখ্য, ১ লা সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখের BSEC আদেশ নম্বর SEC/CMRCD/2009-193/08 এর বিধান মেনে না চলার কারনে উক্ত পাঁচটি কোম্পানি জেড ক্যাটাগরি করা হয়েছে।
তাহলে প্রশ্ন হলো উক্ত নিউজ টি কিভাবে আসল। নিউজ হলো ৮ টি কোম্পানি নিয়ে ৩ দিন পরে ডিএসইর নিউজ আসল অন্য ৫ টি শেয়ারের।
গতকালসহ এর আগেও বেশ কয়েকটি শেয়ার B ক্যাটাগরি থেকে জেড ক্যাটাগরিতে যাচ্ছে এমন খবর ছাপাচ্ছে বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে।
জেড ক্যাটাগরিতে যাবে বলে বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে ওয়েস্টার্ন মেরিন ও ইয়াকিন পলিমার সহ বেশ কিছু কোম্পানি জেড ক্যাটাগরিতে যাবে বলে প্রায়ই খবর প্রকাশিত হচ্ছে।
এখন প্রশ্ন হল এই জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় কেন অনলাইন পোর্টাল থেকে বিনিয়োগকারীদের জানতে হবে? বিনিয়োগকারীরা কেন ডিএসই, সিএসই ও বিএসইসি ওয়েবসাইট থেকে আগে জানতে পারবেনা।
যথাযথ কর্তৃপক্ষের এই বিষয়ে খেয়াল রাখা উচিৎ। বাজার সংশ্লিষ্ট যে কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সবার আগে তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে মানুষের বিভ্রান্তি থেকে রক্ষা করা উচিত।
সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে বাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর বিষয়ে বা বাজার বিষয়ক যে কোন প্রাইজ সেন্সিটিভ খবরসহ অন্য যে কোন বিষয় আপডেট রাখা সহ নানাবিধ সমস্যা নিয়ে কাজ করার জন্যে অনুরোধ করেছি একজন সাধারণ বিনিয়োগকারী হিসেবে।
পাশাপাশি বাজার সম্পর্কিত ভুল, মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রকাশ করলে অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলোকে শাস্তির আওতাধীন করা উচিৎ, তাহলে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্থ কম হবেন।