অর্থ লিপি

২৪ জুলাই ২০২৬ শুক্রবার ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

বিএটি বাংলাদেশের শেয়ার প্রতি আয় সামান্য কমলেও ক্যাশ ফ্লোতে বড় উল্লম্ফন

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

পণ্য বিক্রির পরিমাণ ও রাজস্ব কমে যাওয়ায় শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বহুজাতিক তামাক কোম্পানি ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেডের (বিএটি বাংলাদেশ) শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) চলতি বছরের প্রথমার্ধে সামান্য কমেছে।

তবে সম্পূরক শুল্ক (এসডি) ভ্যাট এবং পরিচালন ব্যয় কমে যাওয়ায় একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

কোম্পানির প্রকাশিত ২০২৬ হিসাববছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ের অনিরীক্ষিত অর্ধবার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

গত ২৩ জুলাই অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় প্রতিবেদনটি পর্যালোচনা ও অনুমোদন করা হয়। পরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সংবেদনশীল তথ্য (পিএসআই) প্রকাশ করা হয়।

প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭ টাকা ৬৫ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৭ টাকা ৬৯ পয়সা। অর্থাৎ, বছরের ব্যবধানে ইপিএস সামান্য কমেছে।

কোম্পানির ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, পণ্য বিক্রির পরিমাণ কমে যাওয়ায় রাজস্ব আয় হ্রাস পেয়েছে। পাশাপাশি মূল্যস্ফীতির কারণে উৎপাদন ও পরিচালন ব্যয়ের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় মুনাফার মার্জিন সংকুচিত হয়েছে। এর প্রভাব শেয়ার প্রতি আয়ে পড়েছে।

অন্যদিকে, আলোচ্য সময়ে শেয়ারপ্রতি নিট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯ টাকা ১২ পয়সায়, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৯ টাকা ৫ পয়সা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো তিন গুণেরও বেশি বেড়েছে।

কোম্পানির ভাষ্য অনুযায়ী, বিক্রির পরিমাণ কম থাকায় সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট বাবদ পরিশোধ কম হয়েছে। একই সঙ্গে পরিচালন ব্যয়ও হ্রাস পাওয়ায় অপারেটিং কার্যক্রম থেকে নগদ প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

আর্থিক প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১০৭ টাকা ১৫ পয়সা, যা এক বছর আগে একই সময়ে ছিল ৯৯ টাকা ৫৭ পয়সা।

এছাড়া কোম্পানির মোট নিট সম্পদের (এনএভি) পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ৫ হাজার ৭৮৬ কোটি ২ লাখ ৫৮ হাজার টাকা, যা ২০২৫ সালের ৩০ জুন শেষে ছিল ৫ হাজার ৩৭৬ কোটি ৯৬ লাখ ২৭ হাজার টাকা।

বিশ্লেষকদের মতে, বিক্রিতে কিছুটা চাপ থাকলেও ব্যয় নিয়ন্ত্রণের কারণে বিএটি বাংলাদেশের নগদ প্রবাহের উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে কোম্পানির আয় বৃদ্ধির ধারা অনেকটাই নির্ভর করবে বিক্রির পরিমাণ পুনরুদ্ধার এবং বাজার পরিস্থিতির ওপর।

Author

  • 'অর্থ লিপি ডট কম' একটি নির্ভরযোগ্য শেয়ার বাজার ভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল। অর্থ ও বাণিজ্য, রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণমূলক লেখা প্রকাশ করে।

    'অর্থ লিপি ডট কম' শেয়ার মার্কেটের প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সততার সহিত পরিবেশন করে এবং কোন সময় অতিরঞ্জিত, ভুল তথ্য প্রকাশ করেনা এবং গুজব ছড়ায়না, বরং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে বদ্ধ পরিকর। এটি একটি স্বাধীন, নির্দলীয় এবং অলাভজনক প্রকাশনা মাধ্যম।

    View all posts
Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।