অর্থ লিপি

২২ জুলাই ২০২৬ বুধবার ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

বন্ধ ২১টি গার্মেন্টস চালু করতে অভিনব পরিকল্পনা

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

বন্দরনগরী চট্টগ্রামে তীব্র আর্থিক সংকটের কারণে বিজিএমই-এর তালিকাভুক্ত ২১টি রুগ্ণ তৈরি পোশাক কারখানা (গার্মেন্টস) আবার চালু করতে একটি অভিনব পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

বন্ধ থাকা সরকারি শিল্প-কারখানার অপ্রয়োজনীয় বা লিজ নেওয়া এমন জায়গায় মাল্টি-ফ্যাক্টরি হাব গড়ে তুলে সেখানে কারখানা গুলো সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।

প্রতিষ্ঠানটির তথ্যানুসারে জানা যায়, বর্তমানে বিজিএমই-এর সদস্যভুক্ত ২১টি কারখানা দেনা থাকায় প্রায় ধূলিসাৎ। ভাড়া করা ভবনে কারখানা পরিচালনা, ওয়ার্কিং ক্যাপিটালের ঘাটতি, ব্যাংকিং জটিলতা, সিআইবি রিপোর্টের নেতিবাচক প্রভাব, আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধির কারণে এই কারখানাগুলোর উৎপাদন বন্ধ বা স্থবির হয়ে পড়েছে।

এসব প্রতিষ্ঠানের নামে নেওয়া প্রায় ১ হাজার ৫২৫ কোটি টাকা ঋণের পরিমাণ ছিল । এর মধ্যে ৯৭৬ কোটি টাকা পরিশোধ করা হলেও বাকি প্রায় ৫৫০ কোটি টাকার মেয়াদ শেষে এখন তা ঝুলে রয়েছে। প্রতিষ্ঠানভেদে ঋনণের পরিমাণ ভিন্ন। সর্বোনিম্ন ঋণের পরিমাণ ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা থেকে শুরু এবং সর্বোচ্চ ৫১৫ কোটি ৬৫ লাখ টাকা পর্যন্ত দাঁড়িয়েছে।

এমন সংকট্ময় অবস্থা থেকে শিলপ-কারখানা গুলো কে রক্ষা করতে বিজিএমইএ সরকারের কাছে বন্ধ বা বেসরকারীকরণ প্রক্রিয়ায় থাকা সরকারি শিল্প প্লটগুলো তাদের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তাব দিয়েছে।

বিজিএমইএ নেতাদের মতে, চট্টগ্রামে ভাড়া ভবনে কারখানা পরিচালনা করে আন্তর্জাতিক মান বা বায়ারদের কমপ্লায়েন্স বজায় রাখা দিনে দিনে কঠিন হয়ে পড়ছে। পাশাপাশি মিরসরাই বা দূরবর্তী ইকোনমিক জোনে স্থানান্তর ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য অতিরিক্ত ব্যয়বহুল।

এ অবস্থায় বন্ধ সরকারি কারখানা ও মিলের অবকাঠামো ব্যবহারের অনুমতি দিলে কম খরচেই এসব কারখানা আবার উৎপাদনে ফিরতে পারবে।

বিজিএমইএর সাবেক প্রথম সহসভাপতি এস এম আবু তৈয়ব জানান, ‘যেহেতু দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রামে অবস্থিত, সেহেতু এখানে উৎপাদন ও পরিবহন খরচ কম হওয়াই স্বাভাবিক। এ ছাড়া চট্টগ্রাম থেকে তৈরি পোশাক বিদেশে পাঠাতে বাড়তি ‘লিড টাইম’ বাঁচানোর চমৎকার সুযোগ রয়েছে। অথচ তা সত্ত্বেও বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে একটি ভুল বার্তা যাচ্ছে। যে চট্টগ্রামে নতুন নতুন পোশাক কারখানা গড়ে ওঠার কথা ছিল, তা না হয়ে অন্যান্য অঞ্চলে স্থানান্তরিত হচ্ছে। বিষয়টি আমাদের সার্বিক ব্যাবসায়িক ও আঞ্চলিক অর্থনীতির জন্য একটি নেতিবাচক বার্তা বহন করছে।’

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।