আজ সোমবার ৭ই আগস্ট ২০২৩, সপ্তাহের ২য় দিন দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টকএক্সচেঞ্জ লিমিটেডের (ডিএসই) মূল্য সূচক কমেছে তবে লেনদেন কিছুটা বেড়েছে।
আজ ডিএসইতে ৪৬৮ কোটি ৫০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আজ গতদিনের চেয়ে ৫০.৮৬ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে। গতকাল ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছিল ৪১৭ কোটি ৬৪ লাখ টাকার।

সার্বিক ভাবে আজকের বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ডিএসই প্রধান বা ডিএসইএক্স সূচক ১৬.১৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৬২৯৯.৬৫ পয়েন্টে। অন্য সূচক গুলোর মধ্যে ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ১.৯৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৩৬৬.২৭ পয়েন্টে এবং ডিএস ৩০ সূচক ৫.৪৩ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ২১৩৮.৪০ পয়েন্টে।

ডিএসইর দাম বাড়ার শীর্ষ ২০ টি কোম্পানির শেয়ার
আজ ডিএসইতে মোট ৩৩৬ টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে মাত্র ২৮ টির, দাম কমেছে ১৪২ টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ছিল ১৬৬ টি কোম্পানির।
ডিএসইর সূচক নেমে গেল ৬৩০০ নিচে, যে কারণে বাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে একটি আতংক বিরাজ করছে এই বুঝি সূচকের পতন শুরু হলো। গত মে মাসের ২৩ তারিখ থেকে সূচক ৬৩০০ এর উপরে অবস্থান করছে অবশ্য জুন মাসে ৪ দিন সূচক ৬৩০০ এর নিচে নেমেছিল। গত ১৫ই জুন সূচক ৬২৬৪ তে নেমেছিল, তারপর ২ দিন পরেই সূচক আবারও ৬৩০০ তে উঠে আসে। এরপরে সূচক বেড়ে ৬৩৭৬ হয়েছিল এভাবে গত ১ মাস যাবৎ সূচকের উঠানামা ছিল। তবে গত ৩ দিনে সূচক টানা ৪৩ পয়েন্ট কমাতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতংকের সৃষ্টি হয়। আজ সূচক ৬৩০০ নিচে নামাতে একদল বিনিয়োগকারী আতংকে শেয়ার বিক্রি করেছেন বলে বিভিন্ন হাউজের মাধ্যমে জানা গেল।
বাজার চলাকালীন সময়ে একটি বড় ব্রোকার হাউসে গিয়ে দেখা গেল বেশ কয়েকজন বিনিয়োগকারী আলাপ করছেন, সেখানের একজন প্রবীন বিনিয়োগকারী আক্ষেপের সুরে বল্লেন “যখন দাম বাড়ে তখন অল্প কিছু শেয়ারের দাম বাড়ে কিন্তু যখন দাম কমে তখন সব শেয়ারের দাম কমে, কিন্তু কেন কমে বুঝিনা!”
আশ্চর্যজনক হলেও কথাটি সত্য বলেছেন। শেয়ার বাজারে যখন দাম বাড়ে তখন অল্প কিছু কোম্পানির দাম বাড়ে, কিন্তু যখন দাম কমে তখন সব কোম্পানির দাম কমে যায়।
এর মূল কারণ আতংকিত হওয়া। বাংলাদেশের শেয়ার বাজারে বিনিয়োগকারীরা খুব দ্রত তাদের বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে। এর মূল কারণ মানুষ খুব অল্পতেই উচ্ছাসিত হয় আবার অল্পতেই হতাশাগ্রস্ত হয়ে পরে।
শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট একজন বাজার বিশ্লেষকের সাথে এই ব্যাপারে টেলিফোনে আলাপক রলে বলেন, শেয়ার বাজারের এই উচ্ছাসিত হওয়া আবার হতাশাগ্রস্ত হওয়া একটি কমন বিষয়। এই পেক্ষাপট থেকে বেড়িয়ে আসতে হবে। কিন্তু বিনিয়োগকারী পারছেন না।