অর্থ লিপি

৩০ এপ্রিল ২০২৬ বৃহস্পতিবার ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩

পরপর ২ বছর লভ্যাংশ না দেয়াতে জেড ক্যাটাগরিতে চলে গেল এক কোম্পানি

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জ্বালানী বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানি ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেডের (DESCO) ক্যাটাগরি পরিবর্তন করা হয়েছে। কোম্পানিটিকে ‘এ’ ক্যাটাগরি থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

কোম্পানিটি টানা তিন বছর ধরে লোকসানে রয়েছে। সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট লোকসান হয়েছে ১২৫ কোটি টাকা।

সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে ডেসকোর কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছিল ৬৩ কোটি টাকা। সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে কর-পরবর্তী নিট লোকসান হয়েছে ৫৪১ কোটি টাকা, ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে ৫০৬ কোটি ও ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে লোকসান হয়েছে ১২৫ কোটি টাকা।

তিন বছর ধরে টানা লোকসানের কারণে ও পুঞ্জীভূত লোকসান থাকায় সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি ডেসকোর পর্ষদ। টানা দুই বছর বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা না করায় বিএসইসির নিয়মানুসারে কোম্পানিটিকে বিদ্যমান ‘‌এ’ থেকে ‘‌জেড’ ক্যাটাগরিতে অবনমন করা হয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, বিএসইসির শর্ত অনুযায়ী পরপর ২ বছর কোন লভ্যাংশ না দেয়াতে কোম্পানিটিকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করা হয়।

আগামীকাল সোমবার (১৩ অক্টোবর) থেকে কোম্পানিটি ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করবে।

এদিকে ক্যাটাগরি পরিবর্তনের কারণে কোম্পানিটিকে ঋণ সুবিধা দিতে ব্রোকার হাউজ এবং মার্চেন্ট ব্যাংককে নিষেধ করেছে ডিএসই।

বিএসইসি-এর নির্দেশনায় দেশের শেয়ার বাজারে বিভিন্ন কারণে একটি কোম্পানি জেড’ ক্যাটাগরিতে যায়।যেমন-যেসব কোম্পানি নিয়মিত এজিএম করবে না,পরপর ২ বছর কোন লভ্যাংশ না দিলে,লভ্যাংশ ঘোষণা দিয়ে যথাসময়ে বিতরণ না করলে এবং ছয় মাসের বেশি সময় ধরে উৎপাদন বন্ধ থাকলে।

২০০৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ডেসকোর অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৩৯৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৩৯ কোটি ৭৫ লাখ ৬৯ হাজার ৮০৪। এর ৬৭.৬৬ শতাংশ রয়েছে সরকারের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৩.৬৫, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক শূন্য ৪ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৮.৬৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।