দেশের রফতানি খাতে বৈচিত্র্য আনতে নতুন উদ্যোগের কথা জানালেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, প্রচলিত খাতের বাইরে সম্ভাবনাময় যে কোনো খাতকে উৎসাহ দিতে সরকার প্রণোদনা দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে।
অর্থমন্ত্রীর মতে, বাংলাদেশ এখনো সীমিত কয়েকটি খাতের ওপর নির্ভর করে রফতানি আয়ের বড় অংশ অর্জন করছে। এই নির্ভরতা কমাতে এবং বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে নতুন নতুন খাতকে এগিয়ে আনা জরুরি। সে লক্ষ্যেই সম্ভাবনাময় শিল্পগুলো চিহ্নিত করে ধাপে ধাপে প্রণোদনা সুবিধা দেওয়া হবে।
আমির খসরু বলেন, বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাত দারুণ সফল হলেও স্বর্ণ বা হীরাশিল্পের মতো অন্যান্য খাতগুলো পিছিয়ে রয়েছে। এখন থেকে যেকোনো সম্ভাবনাময়রফতানি খাত যদি প্রস্তাব দেয়, তবে তাদের গার্মেন্টস শিল্পের সমান সুবিধা দেয়া হবে।
তিনি আরও জানান, আইটি, কৃষিভিত্তিক পণ্য, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, ফার্মাসিউটিক্যালসসহ বিভিন্ন উদীয়মান খাতে ইতোমধ্যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এসব খাতকে টেকসইভাবে গড়ে তুলতে আর্থিক সহায়তা, কর সুবিধা এবং নীতিগত সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রফতানিতে বৈচিত্র্য আনতে পারলে বৈদেশিক আয়ের নতুন উৎস তৈরি হবে এবং অর্থনীতির ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে বলে মনে করছেন তারা।
সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে দেশের রফতানি খাতে নতুন গতি আসবে এবং দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।