শেয়ারবাজারের অব্যাহত দরপতনের প্রতিবাদে বিনিয়োগকারী ও ট্রেডারদের একটি দল মতিঝিলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ভবনের সামনে দুপুরে বিক্ষোভ করছেন।
এছাড়া লেনদেন শেষ হবার পরে ইউনূস সেন্টারের সামনে বিনিয়োগকারী ও ট্রেডারদের একটি দল একত্রিত হন।
আজ বুধবার (২ অক্টোবর) দুপুরে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারী ব্যানার নিয়ে ডিএসই ভবনের সামনে জড়ো হন। এ সময় তাঁরা শেয়ারবাজারের দরপতনের প্রতিবাদে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটির অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান, আইসিবির চেয়ারম্যানসহ পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট যারা বাজারকে অস্থির করে তুলেছেন এমন ব্যক্তিদের পদত্যাগ দাবি করে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

বিনিয়োগকারী ও ট্রেডাররা বিকাল ৪ টার পরে আইসিবির অফিসে ডুকে পরেন। এবং তারা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। আইসিবির ভিতরে ঢুকে স্লোগান দিচ্ছেন ক্ষতিগ্রস্থ বিনিয়োগকারীদের এক দফা এক দাবি, আবু তুই কবে যাবি। মাকসুদ তুই কবে যাবি।
বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা বলেন সিউকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশনের খামখেয়ালি কিছু সিদ্ধান্তের কারণে শেয়ার বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে। বাজার পতনের সময়ে হুট করে ২৭ টি কোম্পানি একদিনে জেড ক্যাটাগরিতে স্থানান্তরিত করার কারণে বাজারে আতংক ছড়িয়েছে। যে কারণে বাজারে পতন থামছেই না।
বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা বলেন, ভুলভাল সিদ্ধান্ত দেয়ার কারণে টানা দরপতনে পুঁজি হারিয়ে অনেকেই নিঃস্ব হয়ে গেছেন, তাই তাঁরা হারানো পুঁজি ফিরে পাওয়ার দাবি জানান।
কয়েকটি ব্যানারে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ ও মানববন্ধন শেষে সংক্ষিপ্ত এক সমাবেশে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা বলেন, শেয়ার বাজারে ১৯৯৬ ও ২০১০ সালে বড় ধরনের দুটি ধস হয়েছে। কিন্তু ২০২৪ সালে এসে বাজারে যে ধস নেমেছে, তা অতীতের দুই ধসকে হার মানিয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার ব্যর্থতায় এটা হচ্ছে। তাঁদের অভিযোগ, পুঁজি হারিয়ে কোনো রকমে তাঁরা বেঁচে আছেন, নিরুপায় হয়ে রাস্তায় নেমেছেন তাঁরা।
বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা আরও বলেন, সারা বিশ্বের পুঁজিবাজার যেখানে ঊর্ধ্বমুখী, সেখানে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে টানা দরপতন চলছে। এতদিন বাজারের দুর্নীতি ছিল, আর এখন রেগুলেটরি বোর্ডের ভুলভাল সিদ্ধান্ত দেয়ার কারণে টানা দর পতন হচ্ছে শেয়ার বাজারে। তাদের দাবী শেয়ার বাজার উন্নয়নের জন্যে তড়িৎ ব্যবস্থা নিতে হবে।