অর্থ লিপি

২১ এপ্রিল ২০২৬ মঙ্গলবার ৮ বৈশাখ ১৪৩৩

সুস্বাস্থ্যের জন্য ভাল ঘুম: (পর্ব-২)

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

বলতে পারবেন? আমরা ঘুমাই কেন?

এর পরিপূর্ণ ব্যাখ্যা বিজ্ঞানীরা এখনও আবিষ্কার করতে পারেন নাই। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, আমাদের ব্রেইনের নার্ভাস সিস্টেম এর এক জটিল কেমিক্যাল নিউরোলজিক্যাল রিয়েকশন এর ফলে ঘুম আসে।

ঘুম আসার ফ্যাক্টর অনেক। তবে প্রধানত ২টি ফ্যাক্টর এর কারণে আমরা ঘুমাই :

. Circadian Drive : একে বলা যায় দেহঘড়ি (internal clock) সূর্যকে কেন্দ্র করেসংঘটিত দিবারাত্রির সাথে মিল রেখে দেহের অনেক কেমিক্যাল পরিবর্তন হয়। ভোরে সূর্যালোকের সাথে সাথে দেহে স্ট্রেস হরমোন কর্টিসল সিক্রেশন বৃদ্ধি পায় এবং ঘুমের হরমোনমেলাটোনিন সিক্রেশন বন্ধ হয়ে যায়। আবার সূর্যাস্তের পর অন্ধকার নেমে আসলে মেলাটোনিন বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং কর্টিসল কমতে থাকে। দিনের দেহের তাপমাত্রা বেশি থাকে এবং রাতে দেহের তাপমাত্রা কমতে থাকে।

. Homeostatic Drive : ঘুম ভাঙার পর আমরা যত বেশি জেগে থাকি, আমাদের ব্রেইনে Adenosine নামক কেমিক্যাল তত বেশি জমতে থাকে। যত বেশি  এডেনোসাইন জমা হবে, তত বেশি স্লিপ প্রেসার বাড়তে থাকবে। পর্যাপ্ত ঘুমানের পর এডেনোসাইন একেবারে কমে যাবে।

এই দুটো ফ্যাক্টর এর সম্মিলিত প্রয়াসেই আমাদের ঘুম আসে। যে কোন একটির অভাব বাঘাটতি হলে আমাদের বিলম্বিত ঘুম, হালকা ঘুম, অল্প ঘুম কিম্বা অনিদ্রা হয়।

তাহলে ঘুমের কন্ডিশন হল :

মেলাটোনিন হরমোন নিঃসরণ হতে হবে, স্ট্রেস হরমোন নিঃসরণ ব্যাপক ভাবে কমতে হবে, ব্রেইনে এডেনোসাইন কেমিক্যাল অনেক জমতে হবে, দেহের তাপমাত্রা কমতে হবে।

এছাড়া বিছানা পরিবেশ আরামদায়ক হতে হবে, নিঃশব্দ পরিবেশ থাকতে হবে, শরীরে কোন পেইন থাকা যাবে না, পেট ভর্তি খাবার থাকা যাবে না, রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকতে হবে, কোন দুঃশ্চিন্তা থাকা যাবেনা।

এবার মিলিয়ে নিন, আপনার কোনটার ঘাটতি আছে কিনা?

চলবে……..

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।