দেশের বাজারে সোনার সঙ্গে রুপার দামও কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
এবার ভরিতে ১১৭ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ১৯৯ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি রুপার (পিওর সিলভার) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের রুপার দাম পড়বে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৯৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৪৪১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ ও পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেয়া যাবে না। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে।
এর আগে, সবশেষ গত ২৯ সেপ্টেম্বর সকালে রুপার দাম সমন্বয় করেছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। সেদিন ভরিতে ১৭৫ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৭৪ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ৩৬ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ৩৮ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।