অর্থ লিপি

২০ অক্টোবর ২০২৬ মঙ্গলবার ৪ কার্তিক ১৪৩৩

আইপিও ছাড়াই ৭ ধরনের কোম্পানি সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ, প্রজ্ঞাপন জারি

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) ছাড়াই দেশের পুঁজিবাজারে সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ সম্প্রসারণ করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে সাত ধরনের কোম্পানি এ পদ্ধতিতে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে পারবে।

এ বিষয়ে রোববার (১৮ অক্টোবর) একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সরাসরি তালিকাভুক্তির যোগ্য কোম্পানিগুলো হলো—

১. সম্পূর্ণ সরকারি মালিকানাধীন অথবা সরকারের অন্তত ৫১ শতাংশ মালিকানা রয়েছে, এমন কোম্পানি।

২. যেসব কোম্পানিতে সরকারের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মালিকানা রয়েছে এবং পরিশোধিত মূলধনে সরকারের অংশ অন্তত ১০ শতাংশ।

৩. সম্পূর্ণ বিদেশি মালিকানাধীন অথবা বিদেশিদের অন্তত ৫১ শতাংশ মালিকানা রয়েছে, এমন কোম্পানি।

৪. সর্বশেষ নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী অন্তত ৫০০ কোটি টাকা নিট সম্পদমূল্যের তফসিলি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা বিমা কোম্পানি।

৫. বছরে অন্তত ১ হাজার কোটি টাকা টার্নওভার রয়েছে, এমন কোম্পানি।

৬. বিএসইসিতে নিবন্ধিত স্টক এক্সচেঞ্জ, ডিপোজিটরি অথবা ক্লিয়ারিং ও সেটেলমেন্ট কোম্পানি।

৭. বিএসইসি কর্তৃক যোগ্য হিসেবে ঘোষিত কোম্পানি।

সরাসরি তালিকাভুক্তির পদ্ধতির ইতিহাস

২০০৬ সালে সরাসরি তালিকাভুক্তির পদ্ধতি চালুর পর এ ব্যবস্থায় শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে ১০টি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে পাঁচটি রাষ্ট্রায়ত্ত এবং পাঁচটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান।

রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো), পাওয়ার গ্রিড, যমুনা অয়েল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও তিতাস গ্যাস। অন্যদিকে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো হলো শাইনপুকুর সিরামিকস, এসিআই ফর্মুলেশনস, নাভানা সিএনজি, ওশান কনটেইনারস ও খুলনা পাওয়ার কোম্পানি।

তবে ২০০৯ সালের ৫ নভেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেয়, সরাসরি তালিকাভুক্তির পদ্ধতিতে কেবল রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলোই শেয়ার ছাড়তে পারবে। ওই সিদ্ধান্তের আগে আবেদন করায় ওশান কনটেইনারস ও খুলনা পাওয়ার কোম্পানি ২০১০ সালে তালিকাভুক্তির অনুমোদন পায়।

এরপর থেকে সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ মূলত রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।

বিএসইসির নতুন প্রজ্ঞাপনের ফলে নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণকারী সরকারি, বিদেশি ও বেসরকারি খাতের বিভিন্ন শ্রেণির প্রতিষ্ঠানের জন্য আইপিও ছাড়াই পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির সুযোগ তৈরি হলো। এর মাধ্যমে নতুন কোম্পানির অংশগ্রহণের পথ সম্প্রসারিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।