ক্যাপিটাল মার্কেট স্টাবিলাইজেশন ফান্ড, ২০২১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিনিয়োগকারী-বান্ধব বিভিন্ন কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সাথে পরামর্শক্রমে সিএমএসএফ বিধিমালা ২০২১ এর ধারা ৫ (১৫) অনুযায়ী শেয়ারবাজারের স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নে স্টক মার্কেটের মধ্যস্থতাকারীদের নতুন করে ১০০ কোটি টাকা ধার দেবে।
স্টেবিলাইজেশন ফান্ডের লক্ষ্য ৭ জানুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের পর থেকে ঋণ বিতরণ শুরু করা,বিষয়টি সিএমএসএফ–এর একজন শীর্ষ কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন।উল্লেখ্য এর আগে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অববাংলাদেশকে (আইসিবি) ২২৫ কোটি টাকা ধার দিয়েছিল।
সিএমএসএফ বোর্ড গত বৃহস্পতিবার এক জরুরি বৈঠকে ১০০ কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন করেছে। নীতিমালা এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) নির্দেশিকা অনুযায়ী কমিউনিটি ব্যাংকের মাধ্যমে ঋণ বিতরণ করা হবে বলে এক প্রেস বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।
সিএমএসএফ বোর্ড অব গভর্নরস মনে করে, ক্যাপিটাল মার্কেট মধ্যস্থতাকারীদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে শেয়ারবাজারকে শক্তিশালী ও স্থিতিশীল রাখায় ভুমিকা রাখবে এবং এই উদ্যোগটি একটি স্থিতিস্থাপক আর্থিক ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার মাধ্যমে বাজারের গতিশীলতা বৃদ্ধিতে বিশেষ সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।
ঋণের বিবরণ ও নিয়মকানুনঃ
প্রতিটি মধ্যস্থতাকারী ১৮০ দিনের মেয়াদের জন্য ৯ শতাংশ সুদের হারে সমপরিমাণজামানতের বিপরীতে ২–৫ কোটি টাকা পেতে পারে, যা সফলভাবে সমাপ্ত হওয়ার পরেপুনর্নবীকরণযোগ্য।
প্রথমত, আগ্রহী মধ্যস্থতাকারীদের ঋণের জন্য সিএমএসএফ–এর কাছে আবেদন করতেহবে। তারপর, মধ্যস্থতাকারীদের তথ্য এবং আবেদন যাচাই করার পরে, সিএমএসএফআবেদনটি ব্যাঙ্কে পাঠাবে। অবশেষে, ব্যাংক ২১ কার্যদিবসের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীদের ঋণবিতরণ করবে।
ঋণ পাওয়ার পর, মধ্যস্থতাকারীরা সরাসরি শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে পারবপ , তবেশুধুমাত্র সেই শেয়ারগুলিতে যে সব কোম্পানি টানা পাঁচ বছর ধরে ‘এ‘ ক্যাটাগরিতে রয়েছে।এছাড়াও, তারা তাদের গ্রাহকদের মার্জিন ঋণ হিসাবে ধার দিতে পারে। একক ঋণগ্রহীতারএক্সপোজার হবে ঋণের জন্য মোট উপলব্ধ তহবিলের সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ।
জানা গিয়েছে গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত, আটটি মধ্যস্থতাকারী ঋণের জন্য সিএমএসএফ–এরকাছে আবেদন করেছে।
ঋণের জন্য কারা অগ্রাধিকার পাবেঃ
CMSF তাদের মধ্যস্থতাকারীদের অগ্রাধিকার দেবে যারা আর্থিক সাক্ষরতা প্রোগ্রাম, ক্ষুদ্রবিনিয়োগকারীদের প্রশিক্ষণ, সামাজিক কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সাথেকাজ করা, পরিবেশ রক্ষা করা এবং অন্যান্য কর্পোরেট সামাজিক দায়িত্ব পালনে জড়িত।
কারা ঋণ পাবে নাঃ
যেকোন স্টক ব্রোকার বা মধ্যস্থতাকারী যার একত্রীকৃত গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টে (সিসিএ) ঘাটতি রয়েছে, ঝুঁকি ভিত্তিক মূলধন পর্যাপ্ততার সাথে সম্মত নয় এবং/অথবা গত পাঁচ বছরেকর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনো শাস্তি হয়েছে, তারা ঋণ পাবেন না।এছাড়াও, ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো (CIB) রিপোর্টের মাধ্যমে একজন মধ্যস্থতাকারী বামধ্যস্থতাকারীর কোনো পরিচালক, যিনি ঋণ খেলাপি, ঋণের জন্য যোগ্য হবেন না।
Author
-
'অর্থ লিপি ডট কম' একটি নির্ভরযোগ্য শেয়ার বাজার ভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল। অর্থ ও বাণিজ্য, রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণমূলক লেখা প্রকাশ করে।
View all posts
'অর্থ লিপি ডট কম' শেয়ার মার্কেটের প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সততার সহিত পরিবেশন করে এবং কোন সময় অতিরঞ্জিত, ভুল তথ্য প্রকাশ করেনা এবং গুজব ছড়ায়না, বরং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে বদ্ধ পরিকর। এটি একটি স্বাধীন, নির্দলীয় এবং অলাভজনক প্রকাশনা মাধ্যম।