অর্থ লিপি

৩০ জুলাই ২০২৬ বৃহস্পতিবার ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

আন্ত সীমান্ত ডিজিটাল লেনদেনে নতুন কাঠামো চালু বাংলাদেশ ব্যাংকের

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের লেনদেন অবকাঠামো আধুনিকায়ন, বৈদেশিক রেমিট্যান্স প্রেরণ সহজ করা এবং ডিজিটাল আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে ‘ব্যাংক-মধ্যস্থতাকারী আন্ত সীমান্ত ডিজিটাল লেনদেন কাঠামো’ চালু করেছে। 

বুধবার (২৯ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ (এফইপিডি) একটি সার্কুলার জারি করেছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলো বিদেশি পেমেন্ট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে অপারেটরদের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আন্ত সীমান্ত ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা দিতে পারবে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রা ছাড়প্রাপ্ত গ্রাহকদের জন্য ব্যাংকগুলো ডিজিটাল ভ্যালু অ্যাকাউন্ট (ডিভিএ) বা ডিজিটাল ওয়ালেট খুলতে পারবে। প্রতিটি ডিভিএ সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের একটি মাস্টার ডিভিএ বা সেটেলমেন্ট হিসাবের অধীনে উপ-হিসাব হিসেবে পরিচালিত হবে। এতে সব ধরনের লেনদেনের ওপর ব্যাংকের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি নিশ্চিত হবে।

এ সুবিধার আওতায় দেশের বাসিন্দারা ব্যক্তিগত, চিকিৎসা ও সরকারি সফরসংক্রান্ত ব্যয় নির্বাহ করতে পারবেন। পাশাপাশি প্রতিটি লেনদেনে সর্বোচ্চ ৩০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত আন্ত সীমান্ত অনলাইন পেমেন্ট করা যাবে। তথ্য-প্রযুক্তিভিত্তিক সেবা গ্রহণ, ভিসা প্রসেসিং ফি, সদস্যপদ নবায়ন এবং অনলাইনে হোটেল বুকিংয়ের অর্থও ডিভিএ থেকে পরিশোধ করা যাবে।

ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে এক্সপোর্ট রিটেনশন কোটা (ইআরকিউ) হিসাবের বিপরীতে প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ তিনজন শীর্ষ কর্মকর্তা প্রকৃত বৈদেশিক ব্যবসায়িক ব্যয়ের জন্য এ সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন।

স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ব্যাংকগুলোকে ডিভিএ-সংক্রান্ত সব লেনদেনের মিরর লেজার সংরক্ষণ এবং অংশীদার ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা প্রদানকারীর (সিডিপিএসপি) সঙ্গে রিয়েল-টাইম সংযোগ স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ডিভিএতে অব্যবহৃত অর্থ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণেই থাকবে এবং বিদ্যমান বৈদেশিক মুদ্রা বিধিমালা অনুযায়ী তা দেশে সমন্বয় করা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এ সেবা পরিচালনায় ব্যাংকগুলোকে কঠোর গ্রাহক পরিচিতি (কেওয়াইসি), গ্রাহক যথাযথ যাচাই (সিডিডি) এবং অর্থপাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধবিষয়ক (এএমএল/সিএফটি) বিধান কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

নতুন এই কাঠামোর আওতায় আন্ত সীমান্ত বৈদেশিক অর্থ প্রেরণ সেবা চালু করতে আগ্রহী ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে পূর্বানুমোদন নিতে হবে।

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।