অর্থ লিপি

১৫ জুন ২০২৬ সোমবার ১ আষাঢ় ১৪৩৩

খাইলেই তা খাদ্য হয় না

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

আমাদের মুখ থেকে পায়ু পর্যন্ত বিস্তৃত পৌষ্টিকনালি একটা নালার মত। এর অবস্থান দেহের অভ্যন্তরে হলেও এটা প্রকৃতপক্ষে দেহের বহিস্থ জগৎ। আমরা যাই খাই না কেন, তা এত সহজে দেহের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারে না। কেবল খাদ্য পরিপাক হলেই তা ক্ষুদ্রান্ত্র বৃহদান্ত্র (small and large intestines) ভেদ করে দেহের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়।

আমরা যাই খাই না কেন তা পরিপাক হয়ে কেবল মাত্র পানি, এমাইনো এসিড, ফ্যাটি এসিড, গ্লুকোজ, ভিটামিন, মিনারেল, এন্টিঅক্সিডেন্ট ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট রূপে দেহের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারে। আর অবশিষ্ট অংশ মল আকারে পায়ুপথে বের হয়ে যায়।

 

কিছু কিছু খাদ্যে প্রচুর পরিমাণে বিভিন্ন ধরনের খাদ্য উপাদান থাকে। যেমনশাকসবজি, ফলমূল, নাটস সিডস, ডিম, মাছ মাংস। এগুলো শ্রেষ্ঠ খাদ্য।

কিছু কিছু খাদ্য আছে যেগুলো কেবলমাত্র সুগার বা ক্যালরি আছে কিন্তু অন্য উপাদান নাই বললেই চলে। যেমনচিনি, ভাত, রুটি। এগুলো নিম্নমানের খাদ্য।

কিছু কিছু খাদ্য আছে যেগুলো মুখরোচক হলেও এগুলোতে টক্সিন কেমিক্যাল থাকে। যেমনভেজিটেবল অয়েল, কোল্ড ড্রিংকস, বোতলজাত জুস, ফাস্ট ফুড, ডিপ ফ্রাই ফুড, বেকারি প্রোডাক্ট, চিপস, ক্যান্ডি, কেক, বিস্কুট, ডোনাট, পাস্তা, সেমাই, চানাচুর   এগুলো অপখাদ্য বা কুখাদ্য। এই খাবার গুলি শরীরের কোন উপকারী কাজে আসেনা ক্ষতি ছাড়া।

অপখাদ্য বা কুখাদ্য অন্ত্রের স্বাস্থ্য নষ্ট করে দেয়। আর অন্ত্রের স্বাস্থ্য নষ্ট হলে দেহের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে টক্সিন বা বিষাক্ত কেমিক্যাল। তখন আপনার পুরো স্বাস্থ্যই নষ্ট হতে থাকে।

সুতরাং যাচ্ছেতাই পেটে প্রবেশ করালেই তা দেহের খাদ্য হয়ে যায় না।

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।