দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসেসূচকের পতন হয়েছে। আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) লেনদেনের শুরু থেকেই সূচকেরনিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেলেও বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তায় টাকার অংকে লেনদেনের পরিমাণ গতদিনের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে।
ডিএসই সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যমতে, সোমবার ডিএসইর প্রধান সূচক ‘DSEX’ ১৫.০৪ পয়েন্টকমে দাঁড়িয়েছে ৫,২৩২ পয়েন্টে। এছাড়া শরীয়াহ ভিত্তিক সূচক ‘DSES’ ২.৫১ পয়েন্টকমে ১,০৫৯ পয়েন্টে এবং ব্লু–চিপ সূচক ‘DS30’ ১০.৩৬ পয়েন্ট কমে ১,৯৮০ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
আজ বাজারে লেনদেন হওয়া ৩৮৯টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে, দর বেড়েছে: ১২০টির, দর কমেছে: ২০৭টির
এবং দর অপরিবর্তিত রয়েছে: ৬২টি কোম্পানির।
আজ ডিএসইতে মোট ৮২৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে।যা গত কার্যদিবসের (৮১৯ কোটি ২০ লাখ টাকা) তুলনায় কিছুটা বেশি।
বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সূচক কমলেও লেনদেনে গতি থাকা ইতিবাচকসংকেত। বর্তমানে বিনিয়োগকারীরা সব শেয়ারে বিনিয়োগ না করে বেছে বেছে ভালোও ‘ট্রেন্ডি’ শেয়ারগুলোতে নজর দিচ্ছেন। এই ‘পিক অ্যান্ড চুজ’ প্রবণতার কারণেবাজারে এক ধরণের ভারসাম্য বজায় থাকছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাময়িক সূচক পতনে বিচলিত না হয়ে ভালো মৌলভিত্তিসম্পন্ন শেয়ারে বিনিয়োগ ধরে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ। অনেক ক্ষেত্রে বাজারের এইসংশোধনই ভালো শেয়ার সুলভে কেনার সুযোগ তৈরি করে দেয়।