আমাদের ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত হাড়ের গঠন মজবুত হতে থাকে এবং ৩০ এ নারী ও পুরুষ উভয়ের হাড়ের ডেনসিটি সর্বোচ্চ থাকে। এরপর শুরু হয় ক্ষয়পর্ব। ৪০ পর্যন্ত স্লো ক্ষয় হয়। এরপর পুরুষদের হাড়ক্ষয় চলে স্টিডি ভাবে। কিন্তু মহিলাদের ৫০ এর পর (মনোপোজ এর পর) হাড়ের ঘনত্বের ফ্রি ফল হয়ে যায়। কি ভয়ানক অবস্থা!
হাড়ক্ষয় নীরব ঘাতক, শুরুর দিকে টের পাবেন না। আর যখন টের পাবেন, তখন জল অনেকদূর গড়িয়ে গেছে। শুরু হবে – ব্যাক পেইন, জয়েন্ট পেইন আরও অনেক কিছু। ক্রমাগত আসতে থাকবে – Osteopenia, Osteoporosis & Fracture। এসব কি দিয়ে ভাল করবেন? ঔষধ খেয়ে? না, ঔষধে হাড়ক্ষয় ভাল হয় না। বরং অনেক ঔষধ হাড়ক্ষয়ের অন্যতম কারণ।
তাহলে, উপায় কি? আমাদের কি বয়সের কাছে অসহায় আত্নসমর্পণ করতেই হবে? না, প্রকৃতিতেই এর সমাধান আছে।
আগামী পর্ব থেকে থাকছে ধারাবাহিক বর্ণনা,চোখ রাখুন ঢাকা শেয়ার বাজার ডট কমে