বহুল আলোচিত ফ্লোর প্রাইজ আরোপ করা হয়েছিল আমাদের সাধারণ মানুষের পুঁজির সূরক্ষা করার জন্য। আসলে কি আমাদের পুঁজি সূরক্ষা হয়েছে?
আমি শুধু একটা শেয়ারের বিষয়ে কথা বলছি। কোম্পানিটি দেশের পাওয়ার খাতের সবচেয়ে বড় জায়ান্ট কোম্পানি ‘সামিট পাওয়ার লিমিটেড’ এটি কতটা Fandamental সেটি ভিন্ন কথা।এই শেয়ার টি আমি পাঁচ বছর ধরে হোল্ডিং করে আসছি। এটা সারা বছর লেনদেনের সময় বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ২০ থেকে ৫০ পয়সা উঠানামা করে থাকে।
যে অবস্থার কারণে ফ্লোর প্রাইজ আরোপ করা হয়েছিল তখন এটির মূল্য নেমেছিল ৩৩.৯ টাকাতে। ৩৪ টাকায় এটাতে ফ্লোর দেয়া হয়। ফ্লোর না দিলে এই শেয়ারের মূল্য সর্বোচ্চ আরো দুই দিন কমে হয়তো ৩২ টাকার মধ্যে আসতো। তারপর স্বাভাবিক হয়ে যেত। আমার ধারণা যা পরবর্তী ৩/৪ কার্যদিবসের মধ্যে পূর্ব অবস্থায় ফিরে আসতো। কারণ দেড় বছর ধরে এই শেয়ারের মূল্য কমতে থাকতোনা।
ফ্লোর দিয়ে আটকে দেয়ার কারণে দেড় বছরের উপরে এটির লেনদেন করা যায়নি। ফলে ইচ্ছে থাকলেও আমি শেয়ার বিক্রি করে অন্য শেয়ারে যেতে পারিনি। ফ্লোর তোলার পর গত দুই দিনে এটি ৭ টাকা বা ২০% মূল্য হারিয়েছে। আগামী কাল এবং পরে কি হয় বলা যাচ্ছে না। যে শেয়ার টি ৩২ টাকা থেকে ঘুড়তে পারতো, দেড় বছর ধরে লেনদেন করা যেতো, তা এখন ২৭ টাকায় এসেছে। আরো কত কমে আল্লাহ জানে। তাহলে আমার পূঁজি রক্ষা হলো কোথায় ? BSEC,DSE এবং CSE এর নীতিনির্ধারকগনের কাছে আমার প্রশ্ন আমার লসের দায় কি তারা কি নিবে ? তাদের ভুল সিদ্ধান্ত আমিসহ হাজারো মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
শেয়ার বাজারের বিনিয়োগকাররী
এনামুল করিম
ঢাকা।