গ্যাস্ট্রিক প্রতিরোধ বা নির্মূলের উপায় :
১. ইনফ্লেমেটারি খাদ্য গ্রহণ বন্ধ করা – চিনি, জুস, সফট ড্রিংকস, দুধ–চা, বিরিয়ানি, মিষ্টান্ন, প্রসেসড ফুড, ফাস্ট ফুড ইত্যাদি।
২. গ্রেইন (শস্য) ও স্টার্চি ফুড খাওয়া কমাতে হবে কিম্বা পরিহার করতে হবে (ভাত, রুটি, ভুট্টা, আলু)। ময়দা, চিনি ও দুধ দ্বারা তৈরি সকল প্রসেসড ফুড (পাউরুটি, বিস্কুট, কেক, পিঠা, নুডলস, পাস্তা ইত্যাদি) পরিহার করতে হবে।
৩. ডিপ ফ্রাই (ভাজাপোড়া) খাওয়া বন্ধ করা – ফ্রাইড রাইস, চিকেন ফ্রাই, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, সমুচা, সিঙ্গারা ইত্যাদি ডুবো তেলে ভাজা সকল খাবার।
৪. ইন্ডাস্ট্রিয়াল তেল পরিহার করা – সয়াবিন তেল, রাইস বার্ণ তেল, পাম অয়েল, সানফ্লাওয়ার অয়েল, ক্যানোলা অয়েল, সকল ট্রান্স ফ্যাট ইত্যাদি।
৫. কেমিক্যাল ও প্রিজার্ভেটিভ যুক্ত প্রসেসড ফুড না খাওয়া।
৬. রেস্টুরেন্টে খাওয়া বন্ধ করা এবং সবসময় ঘরে রান্না করা খাবার খাওয়া।
৭. পর্যাপ্ত ভাল প্রোটিন ও ফ্যাট খাওয়া, মাছ, মুরগী, ডিম, বাদাম, অলিভ অয়েল, কোকোনাট অয়েল খাওয়া।
৮. ব্যাথা নাশক ঔষধ পরিহার করা।

৯. এলকোহল, সিগারেট ইত্যাদি বদভ্যাস ত্যাগ করা।
১০. দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার কম খাওয়া বা পরিহার করা।
১১. ওমেগা–৩ যুক্ত খাবার (তৈলাক্ত মাছ, আখরোট, তিসি ইত্যাদি) বেশি খাওয়া।
১২. পর্যাপ্ত পরিমানে শাকসবজী ও ফলমূল খাওয়া।
১৩. মানসিক স্ট্রেস কন্ট্রোল করা – যোগব্যায়াম, মেডিটেশন, প্রকৃতিতে ভ্রমণ, এক্সারসাইজ।
১৪. পর্যাপ্ত ঘুম। ঘুমের অন্তত ২ ঘন্টা আগে রাতের খাবার শেষ করা।
১৫. ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং বা রোজা খুবই ফলপ্রসূ।
১৬. পর্যাপ্ত পানি পান – খাওয়ার আধা ঘন্টার মধ্যে পানি পান করবেন না।
এছাড়া কিছু হার্বাল কাজে লাগতে পারে :
প্রোবায়োটিক, আদা, রসুন, হলুদ, চিলি পিপার, পেঁপে পাতা, এলোভেরা, কলা, মধু ইত্যাদির ব্যবহার। এগুলি প্রচলিত কথা, কিন্তু আমি নিশ্চিত না, এগুলো কতটুকু কাজ করে।
রিয়্যাল ফুড খান, ক্ষতিকর খাবার ত্যাগ করুন, পেট ভাল রাখুন। গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ খেয়ে পেট ও দেহের স্বাস্থ্য নষ্ট করবেন না।