নীরব ঘাতক হাড়ক্ষয়, বাঁচার উপায় কি?
এই পর্বে আমরা হাড় ক্ষয়ের কারণ কি? সেই বিষয় আলোচনা করব। আমরা জানি, মোটামুটি ৩০ বছর পর্যন্ত হাড়ের ডেনসিটি বাড়ে। কিন্তু সকলের সমান ডেনসিটি হয় না। যারা ৩০ পর্যন্ত ডেনসিটি খুব বেশি করতে পেরেছেন, তারা ভাগ্যবান। ৩০ থেকে ৪০ পর্যন্ত ডেনসিটি সামান্য কমে। বয়স বাড়ার সাথে ডেনসিটি কমবেই, এটাকে শতভাগ প্রতিরোধ করা সম্ভব না। তবে কারও খুবই মন্থর গতিতে, আবার কারও দ্রুতগতিতে। আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে, যেন দ্রুত ক্ষয় না হয়।

ঠিক কি কারণে হাড়ক্ষয় হয়, তা বিজ্ঞানীরা এখনও পরিপূর্ণভাবে আবিষ্কার করতে পারেন নাই। তবে বিজ্ঞানীরা অনেক গুলো রিস্কফ্যাক্টর বের করেছেন, যা হাড়ক্ষয় ত্বরান্বিত করে ।
ক্যালসিয়াম ঘাটতি : খাদ্যের মাধ্যমে দৈনিক চাহিদা অনুযায়ী ক্যালসিয়াম গ্রহণ না করা।
ভিটামিন ডি ঘাটতি : ভিটামিন ডি এর ঘাটতি হলে হাড়ক্ষয় ত্বরান্বিত হয়।
অলসতা : অলস জীবনযাপনে অভ্যস্ত হওয়া।
সেক্স হরমোন হ্রাস : পুরুষের টেসটোস্টেরন এবং নারীর এস্ট্রোজেন হরমোন কমে যাওয়া।
থাইরয়েড হরমোন : অতিরিক্ত থাইরয়েড হরমোন হাড়ক্ষয় ত্বরান্বিত করে।
কতিপয় অসুস্থতা : কিডনি সমস্যা, IBS, পরিপাক সমস্যা, প্যারাথাইরয়েড, থাইরয়েড সমস্যা, লিভার সমস্যা, ডায়াবেটিস ইত্যাদি থাকলে দ্রুত হাড়ক্ষয় হয়।
কতিপয় ঔষধ : গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ, এন্টি–ইনফ্লেমেটারি ড্রাগস, কতিপয় প্রেসারের ঔষধ, ক্যান্সারের ঔষধ, কেমোথেরাপি, এজমার ঔষধ, স্টেরয়েড জাতীয় ঔষধ, আর্থাইট্রিসের ঔষধ – আরও অনেক ঔষধ দ্রুত হাড় ক্ষয়ের জন্য দায়ী।
টক্সিন : তামাক, এলকোহল, হেভি মেটাল ইত্যাদি।
জেনেটিক : অনেক ফ্যামিলিতে হাড় ক্ষয়ের প্রবণতা বেশি থাকে।
চলবে……….