দেশে এখন থেকেই শঙ্কা জাগাচ্ছে লোডশেডিংয়ের। রাজধানীর কোথাও কোথাও এরই মধ্যে শুরু হয়েছে লোডশেডিং। চলতি মৌসুমে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ ডলার ও জ্বালানি। এমন পরিস্থিতিতে নীতিনির্ধারকরাও বলছেন, উৎপাদন ঘাটতি হতে পারে এক হাজার মেগাওয়াটের মতো। বিপরীতে লোডশেডিং তিন হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত ছাড়ানোর শঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।
রাজধানীতে গরম আসার আগেই কোথাও কোথাও শুরু হয়েছে লোডশেডিং। এখনো অসহনীয় পরিস্থিতি তৈরি না হলেও চলতি মৌসুমে বিদ্যুতের স্বাভাবিক সরবরাহ নিয়ে নানা কারণেই বাড়ছে সংশয়। একে তো গত দুবারের অসহনীয় পরিস্থিতি; অন্যদিকে নানামুখী টানাপড়েন। এবার বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ধরা হয়েছে প্রায় ১৮ হাজার মেগাওয়াট। যদিও এ যাবৎকালে ১৫ হাজার ৬৪৮ মেগাওয়াটের বেশি উৎপাদন করতে পারেনি বিদ্যুৎ বিভাগ।
আরও পড়ুন…
আমরা এখন খুবই অল্প পরিমাণে বিদ্যুৎতের দাম বাড়াচ্ছি : নসরুল হামিদ
এবারের সর্বোচ্চ চাহিদার তুলনায় উৎপাদন সক্ষমতা ৫০ শতাংশ বেশি থাকার পরও, পর্যাপ্ত অর্থ আর জ্বালানির অভাবে বহুমুখী অনিশ্চয়তায় বিদ্যুৎ খাত। যদি অন্য সব জ্বালানিভিত্তিক কেন্দ্র ঠিকঠাক চলে, তারপরও গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে দৈনিক ন্যূনতম গ্যাস লাগবে ১৫৪ কোটি ঘনফুট। অথচ ১৩০ কোটি ঘনফুট পাওয়াই হবে দুরূহ ব্যাপার।
বিদ্যুৎ বিভাগের দাবি, দাম বাড়ানোর কারণে বাড়বে অর্থ সংস্থান। তবুও নেই লোডশেডিং থেকে মুক্তির নিশ্চয়তা।
আরও পড়ুন…
কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছে দেশে
পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন বলেন, লোডশেডিং ৫০০ থেকে এক হাজার মেগাওয়াটের মধ্যে হলে মানুষ সহ্য করতে পারবে।
তবে জ্বালানি সরবরাহের যে অবস্থা, তাতে পরিস্থিতি আরও নাজুক হওয়ার শংকায় বিশেষজ্ঞরা। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন বলেন, তীব্র গরমের সময় ৩ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হতে পারে।
বর্তমানে ১১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনেই মেটানো যাচ্ছে গড়পড়তা চাহিদা। তবে রোজার কারণে পাল্লা দিয়ে চাহিদা বাড়বে মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই।
Author
-
'অর্থ লিপি ডট কম' একটি নির্ভরযোগ্য শেয়ার বাজার ভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল। অর্থ ও বাণিজ্য, রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণমূলক লেখা প্রকাশ করে।
View all posts
'অর্থ লিপি ডট কম' শেয়ার মার্কেটের প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সততার সহিত পরিবেশন করে এবং কোন সময় অতিরঞ্জিত, ভুল তথ্য প্রকাশ করেনা এবং গুজব ছড়ায়না, বরং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে বদ্ধ পরিকর। এটি একটি স্বাধীন, নির্দলীয় এবং অলাভজনক প্রকাশনা মাধ্যম।