অর্থ লিপি

২০ এপ্রিল ২০২৬ সোমবার ৭ বৈশাখ ১৪৩৩

পোশাক রপ্তানিতে কানাডায় শুল্ক মুক্ত সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনা

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি স্থিতিশীল  সঠিক ভাবে পরিচালিত হলে, সার্বিক দেশের  অবস্থা স্বাভাবিক থাকলে, ২০২৬ সালে সল্পউন্নত স্বল্পোন্নত দেশের (LDC) তালিকা থেকে বেরিয়ে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে যুক্ত হবে। বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে যুক্ত হবার পরে তখন কানাডায় শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা পাবে ২০৩৪ সাল পর্যন্ত কানাডার বাজারে শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা পাওয়ার খবর দেশের উদ্যোক্তাদের জন্যে ভালো খবর।

কানাডার পার্লামেন্ট গত ৮ই জুন একটি ফাইন্যান্স বিল পাস করেছে; সেখানে জিপিটি স্কিমের মেয়াদ ২০৩৪ সালের শেষ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।কানাডা সরকার উন্নয়নশীল দেশগুলোকে জেনারেল প্রেফারেনশিয়াল ট্যারিফ (জিপিটি) স্কিমের আওতায় শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই স্কিমের আওতায় তৈরি পোশাক উৎপাদনের নিয়ম শিথিল করা সহ অন্যান্য পণ্যও দেশটিতে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দেওয়া হবে। নতুন এই স্কিমে শিল্পের শ্রম পরিবেশগত কমপ্লায়েন্সের ওপর ভিত্তি করে এই বাজার প্রবেশাধিকার সুবিধা গুলোকে সম্প্রসারিত করার প্রস্তাবও রাখা হয়েছে।

তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমই থেকে এই খবর জানা গিয়েছে।

বিজিএমই  আরও জানিয়েছে যে, বাংলাদেশ ২০০৩ সাল থেকে লিস্টডেভেলপমেন্ট কান্ট্রিট্যারিফ (এলডিসি) স্কিমের আওতায় কানাডায় সম্পূর্ণ শুল্কমুক্ত কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার সুবিধা ভোগ করছে। এলডিসি স্কিম জিপিটির আওতায় পড়ে। জিপিটি স্কিম প্রতি ১০ বছরপরপর নবায়ন করা হচ্ছে। স্কিমটির বর্তমান সংস্করণের মেয়াদ ২০২৪ সালের শেষের দিকে শেষ হবে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, বিদায়ী ২০২২২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির ১১তম শীর্ষ গন্তব্য ছিল কানাডা। এই বাজারে রপ্তানি হয়েছে ১৭২ কোটি ডলারের পণ্য, যা মোট পণ্য রপ্তানির .১০ শতাংশ। আগে বছর দেশটিতে রপ্তানি হয় ১৫২ কোটি ডলারের পণ্য। তার মানে গত অর্থবছর রপ্তানি বেড়েছে ১৩ শতাংশের মতো।

কানাডা বাংলাদেশের তৈরি পোশাকেরও অন্যতম বড় বাজার। গত ২০২২২৩ অর্থ বছরে কানাডায় বাংলাদেশি তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১৫৪ কোটি ডলার। এই রপ্তানি আগেরবছরের তুলনায় সাড়ে ১৬ শতাংশ বেশি। বাজারটিতে গত ২০২১২২ অর্থবছরে ১৩৩ কোটিডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছিল।

বিজিএমই সূত্রে জানা গিয়েছে বাংলাদেশ থেকে কানাডা মাত্র মোট তৈরি পোশাকের ১৩.৯৫শতাংশ আমদানি করে। তার মানে  বাজারে বাংলাদেশের আরও বড় সম্ভাবনা আছে। জিপিটি প্লাস সুবিধা নিয়ে দেশটিতে রপ্তানি আরও বাড়াতে আমাদের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া উচিত। তাহলে ভবিষ্যতে কানাডার বাজারে রপ্তানি বাড়বে।

খবর টি দেশের শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত টেক্সটাইল খাতের জন্যে একটি ইতিবাচক খবর ।

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।