নেগেটিভ ইকুইটি ও আনরিয়েলাইজড লসের প্রভিশন সংরক্ষণ ও সমন্বয়ের জন্য আরো ছয় প্রতিষ্ঠানের সময়সীমা বাড়িয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
সংস্থার চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ৯৮৯তম কমিশন সভায় গতকাল এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
এর আগে বিএসইসির ৯৮৬তম কমিশন সভায় ফিনট্রা সিকিউরিটিজ লিমিটেড, শেলটেক ব্রোকারেজ লিমিটেড, জয়তুন সিকিউরিটিজ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, বিডিবিএল ইনভেস্টমেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেড, হজরত আমানত শাহ সিকিউরিটিজ লিমিটেড, জিএমএফ সিকিউরিটিজ লিমিটেড, উইফ্যাং সিকিউরিটিজ লিমিটেড, বিআরবি সিকিউরিটিজ লিমিটেড, বিএনবি সিকিউরিটিজ লিমিটেড, বিএমএসএল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ও মাইডাস ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের প্রভিশন সংরক্ষণের সময়সীমা বাড়ানো হয়।
গত ২৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ৯৮৫তম কমিশন সভায় একই শর্তে সিটি ব্রোকারেজ লিমিটেড, ওয়ান সিকিউরিটিজ লিমিটেড, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেড, বিডি সানলাইফ সিকিউরিটিজ লিমিটেড, আইএফআইসি সিকিউরিটিজ লিমিটেড, এপেক্স ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড, এবাসি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ও সোনালী ইনভেস্টমেন্ট পিএলসির প্রভিশন সংরক্ষণের সময়সীমা বৃদ্ধি করে বিএসইসি।
এছাড়া গত ১৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ৯৮৪তম কমিশন সভায় ২৮ প্রতিষ্ঠানের প্রভিশন সংরক্ষণের সময়সীমা বাড়িয়েছিল বিএসইসি। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত মোট ৫৩টি প্রতিষ্ঠানের জন্য সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ) ও বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ) নেগেটিভ ইকুইটির বিপরীতে প্রভিশন সংরক্ষণের সময়সীমা বাড়ানোর জন্য বিএসইসির কাছে আবেদন করে। ডিবিএ প্রভিশন সংরক্ষণের মেয়াদ ২০৩০ সাল পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে কমিশনের ৯৫৩তম সভায় নেগেটিভ ইকুইটির ওপর প্রভিশন সংরক্ষণের সময়সীমা চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নতুন করে বাড়ায় বিএসইসি।