জীবন সুন্দর রাখতে স্বাস্থ ভালো রাখাই প্রথম শর্ত।
প্রায় ৯০% রোগের মূল কারণ মনুষ্যসৃষ্ট এবং মাত্র ১০% রোগের কারণ জেনেটিক বা বংশগত। দেহের সঠিক পরিচর্যা হলে, অধিকাংশ জেনেটিক কারণও অপ্রকাশিত কিম্বা বিলম্বিত হয়।
নিম্নে অসুস্থ হবার নেপথ্য কারণ উল্লেখ করা হল।একনজরে পড়া নয়, বারবার পড়ুন ও বুঝতে চেষ্টা করুন।
১. অপুষ্টি – যে কোন পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি।
২. অতিভোজন – প্রয়োজনের অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ।
৩. নিষ্ক্রিয়তা – শারীরিক কোন কাজ না করে অলস জীবনযাপন।
৪. ইনফ্লেমেশন – ইনফ্লেমেটারি ফুড ও ফ্রি রেডিক্যাল।
৫. টক্সিন – বিষাক্ত বাতাস ও পানি, কেমিক্যালযুক্ত ফুড ও প্রসাধনী, কীটনাশক, প্রিজার্ভেটিভ, এলকোহল, সিগারেট কেমিক্যাল ড্রাগস/ঔষধ এবং অপরিচ্ছন্নতা।
৬. বংশগত ত্রুটি (Genetic disorder)।
৭. অপর্যাপ্ত ঘুম।
৮. ক্রনিক স্ট্রেস – উদ্বেগ, আতঙ্ক, ক্ষোভ, হতাশা।
৯. আঘাত (Injury/Trauma) – শারীরিক ও মানসিক।
১০. দুর্বল রোগ–প্রতিরোধ ব্যবস্থা (Weak Immune System) – ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ওফাঙ্গাস ইনফেকশন এবং এলার্জি।
১১. হরমোনাল ইমব্যালেন্স।
১২. প্রকৃতি বিচ্ছিন্নতা – শরীরে রোদ না লাগানো ও প্রকৃতির মধ্যে না যাওয়া।
১৩. অন্ত্রীয় ব্যাকটেরিয়া হত্যা করা – এন্টিবায়োটিক ও বিষক্রিয়া।
১৪. অজ্ঞতা ও অচেতনতা।
১৫. ভালোবাসা ও অনুপ্রেরণার অভাব (Lack of self-love & motivation)।

একটু সচেতন হলেই যথাযথ ডায়েট ও লাইফস্টাইল দ্বারা এই কারণ গুলো দূর করতে বা কমাতে পারেন। কেবল সিম্পটম ধামাচাপা মূলক চিকিৎসা নয়, রোগের মূলোৎপাটন করুন এবং আজীবন সুস্থ থাকুন।