কখন কোলেস্টেরল বেড়ে যায়?
দেহে কোলেস্টেরল এর ব্যালেন্স ঠিক রাখার মূল ভূমিকা পালন করে লিভার। যতক্ষণ লিভার সঠিক ফাংশন করতে পারে, ততক্ষণ রক্তে কোলেস্টেরল এর মাত্রা নরমাল থাকে। আর লিভার সমস্যা দেখা দিলে রক্তে কোলেস্টেরল ইমব্যালেন্স হয়ে যায়।
একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের জন্য :
টোটাল কোলেস্টেরল ইনপুট = টোটাল কোলেস্টেরল আউটপুট
কোলেস্টেরল ইনপুট :
(১) বায়োসিন্থেসিস : মোট কোলেস্টেরল এর প্রায় ৮০% তৈরি হয় লিভার ও অন্ত্রীয় টিস্যু থেকে।
(২) ডায়েটারি কোলেস্টেরল : কোলেস্টেরল যুক্ত খাদ্য থেকে এবসর্পশন হয়ে লিভারে আসে।
(৩) বাইলারি কোলেস্টেরল : অন্ত্র বাইল সল্ট থেকে কোলেস্টেরল পুনঃশোষণ করে।
কোলেস্টেরল আউটপুট :
(১) মল ও স্কিনের মাধ্যমে কোলেস্টেরল নির্গমন।
(২) বাইল এসিড তৈরিতে কোলেস্টেরল এর ব্যবহার।
(৩) স্টেরয়েড হরমোন (স্ট্রেস হরমোন, সেক্স হরমোন ইত্যাদি), ভিটামিন ডি এবং কোষমেমব্রেন তৈরিতে কোলেস্টেরল এর ব্যবহার।

কিন্তু কোন কারণে মোট আউটপুট অপেক্ষা মোট ইনপুট বেশি হয়ে গেলে দেহে (বা রক্তে) কোলেস্টেরল এর মাত্রা বাড়তে থাকে। সেটা কিভাবে ঘটে?
লিভার কর্তৃক অধিক পরিমাণে কোলেস্টেরল তৈরি হলে।ফ্যাটি লিভার ও অন্যান্য লিভার সমস্যা দেখা দিলে।পর্যাপ্ত পরিমানে বাইল এসিড তৈরি না হলে।
গলব্লাডারে সমস্যা হলে।
অন্ত্রের সমস্যার কারণে কোলেস্টেরল এবসর্পশন বেশি হলে।
দেহের কোলেস্টেরল ব্যবহার কমে গেলে।
সমস্যা দেখা দেয়ার পর অধিক হারে কোলেস্টেরল যুক্ত খাবার খেলে।
পরবর্তী পর্বে (পর্ব–৬ ) থাকবে হাই
কোলেস্টেরল এর আসল কারণ নিয়ে আলোচনা।
লিখেছেন
Engr. Shafiqul Islam