দেশের পুঁজিবাজারের সংবেদনশীল তথ্যের ফোঁকর দিন দিন আরও বেড়েই চলছে। বাজারে তালিকাভুক্ত মেট্রো স্পিনিং মিল লিমিটেড ব্যবসা সম্প্রসারন করবে এমন খবর মেট্রো স্পিন জানাল ১ দিন আগে। কিন্তু বাজারে এই খবর এর রিউমার ছিল জুলাই মাসের মাঝামাঝি দিকে।
তারই ধারাবাহিকতায় মেট্রো স্পিনিং লিমিটেড গত কিছুদিন দাম বেড়েছিল। আশ্চর্যজনক হলেও সত্য গত পরশু ৭ই আগস্ট কোম্পানি কর্তৃপক্ষ খবর টি প্রকাশের দিন শেয়ার বাজারে ৪৪.৯০ টাকা দামে লেনদেন হচ্ছিল। যেই না গতকাল স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে কোম্পানির এই খবর প্রকাশ হলো তখন দাম কমে গেল।
এখন প্রশ্ন হলো বিভিন্ন কোম্পানির প্রাইজ সেন্সিটিব বা মূল্য সংবেদনশীল তথ্যগুলো কেন বারবার আগে প্রকাশ পেয়ে যাচ্ছে আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রকাশে আগেই। এর সাথে জড়িত কারা? তাদের খুঁজে বের করা অতীব জরুরী না হয় সাধারণ বিনিয়োগকারীরা সব সময়ই ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
মেট্রো স্পিনিং কোম্পানিটি জানিয়েছে যে তাদের ব্যবসা বড় করতে যাচ্ছে। এজন্য কারখানা আধুনিকায়নের মাধ্যমে উৎপাদন ক্ষমতা বাড়াবেন তারই অংশ হিসেবে কোম্পানির চব্বিশ হাজার নতুন স্পেন্ডাল আমদানির জন্য ঋণপত্র বা এলসি খুলেছে। আমদানিকৃত নতুন স্পেন্ডাল যুক্ত হওয়ার পর কারখানার স্পেন্ডালের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ৩৫,৫২০ টি। এর ফলে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়বে আনুমানিক ১১০ শতাংশ।
যথাযথ কর্তৃপক্ষের সজাগ দৃষ্টি আকর্ষণ করছে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ভবিষ্যতে যাতে প্রাইজ সেনসেটিভ বা মূল্য সংবেদনশীল তথ্য আগেই বের না হতে পারে, এজন্যে কড়া আইনের বিধান রাখা মহা জরুরী। যে সব কোম্পানির তথ্য আগে বের হবে শাস্তির আওতাধীন করা উচিৎ শেয়ার বাজারের বৃহত্তর স্বার্থে।