অর্থ লিপি

২৪ অক্টোবর ২০২৬ শনিবার ৮ কার্তিক ১৪৩৩

অবশেষে শেয়ার বাজার ফ্লোরমুক্ত হতে যাচ্ছে

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

অবশেষে শেয়ার বাজার ফ্লোরমুক্ত হতে যাচ্ছে।আগামীকাল রবিবার(১২ আগস্ট) থেকে তিনটিকোম্পানির ফ্লোর প্রাইস উঠে যাচ্ছে।

কোম্পানি তিনটি হলো বেক্সিমকো লিমিটেড, খুলনা পাওয়ার ও শাহজিবাজার পাওয়ার।

আর বাকি তিন কোম্পানি ইসলামী ব্যাংক, বিএসআরএম লিমিটেড ও মেঘনা পেট্রোলিয়ামের ফ্লোর প্রাইস উঠবে আগামী বুধবার (১৪ আগস্ট)। এর মাধ্যমে প্রায় ২ বছর পরে বাজার ফ্লোরমুক্ত হবে।

গত বৃহস্পতিবার পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জকমিশন (বিএসইসি) এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

জানা গেছে, ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর থেকে নিজ কার্যালয়ে অনুপস্থিত রয়েছেন বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত উল ইসলাম। বাসা থেকে গতকাল ৮ আগস্ট তিনি ৬ কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার সংক্রান্ত আদেশে সই করেন।

বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

বিএসইসির আদেশ বলা হয়, ইসলামী ব্যাংক, বিএসআরএম লিমিটেড ও মেঘনা পেট্রোলিয়ামের শেয়ারের ওপর ১৩ আগস্ট পর্যন্ত ফ্লোর প্রাইস বহাল থাকবে। এই তিন কোম্পানিসহ বর্তমানে শেয়ারবাজারের ৬টি কোম্পানির ওপর ফ্লোর প্রাইস রয়েছে।

বিএসইসির আদেশ অনুযায়ী, বাকি তিনটি শেয়ারের ওপর ফ্লোর প্রাইস রবিবার থেকে প্রত্যাহার হবে। ফ্লোর প্রাইস উঠে গেলেও এসব শেয়ারের দামের উত্থান–পতনের ক্ষেত্রে বিএসইসির নিয়ম অনুযায়ী সার্কিট ব্রেকার বা মূল্যসীমা আরোপিত থাকবে।

সেই নিয়ম অনুযায়ী, বেক্সিমকো লিমিটেড, খুলনা পাওয়ার ও শাহজিবাজার পাওয়ারের শেয়ারের দাম দিনে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারবে। আর কমতে পারবে সর্বোচ্চ ৩ শতাংশ।

উল্লেখ্য, শেয়ার বাজারের পতন ঠেকাতে ২০২০ সাল থেকে কয়েক দফায় শেয়ারবাজারে ফ্লোরপ্রাইস আরোপ করা হয়। এর ফলে শেয়ারের দাম বিএসইসির বেঁধে দেওয়া নির্ধারিত সীমারনিচে নামার কোনো সুযোগ ছিল না। সর্বশেষ দফায় ২০২২ সালের ২৮ জুলাই সব শেয়ার ওমিউচুয়াল ফান্ডের ওপর ফ্লোর প্রাইস আরোপ করেছিল বিএসইসি।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শেয়ার বাজারকে তার স্বাভাবিক ধারায় ফিরিয়ে আনতে হলে ৩ শতাংশ মূল্যসীমার বিধানটিও তুলে নেওয়া দরকার। কারণ, এই সীমার কারণে শেয়ারবিক্রির ক্ষেত্রে ক্রেতা পাওয়া যায় না। শেয়ার বিক্রি করতে না পারলে শেয়ার কেনায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন ব্যক্তি শ্রেণির বড়–মাঝারি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা। যেহেতু বাজারে এখন কিছুটা গতি ফিরেছে, তাই এখনই এ মূল্যসীমা তুলে নেওয়ার ভালো সময় বলে মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।

বাজার সংশ্লিষ্টরা আরও জানান ভবিষ্যতে শেয়ারবাজারে যেন আর কোন বাধা দেয়া না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। শেয়ারবাজারকে তার স্বাভাবিক ধারায় ছেড়ে দিতে হবে। শেয়ার বাজার নীতিনির্ধারকদের দাম বাড়া কমার ব্যাপারে হস্তক্ষেপ না করে শেয়ার বাজারে যেন কোন দুর্নীতি না হতে পারে সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

পাশাপাশি শেয়ারবাজার যাতে ভালো চলে সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে। মাফিয়া ও রাঘববোয়ালরা যাতে শেয়ার বাজারে কোন দুর্নীতি না করতে পারে সে ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে 

Author

  • 'অর্থ লিপি ডট কম' একটি নির্ভরযোগ্য শেয়ার বাজার ভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল। অর্থ ও বাণিজ্য, রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণমূলক লেখা প্রকাশ করে।

    'অর্থ লিপি ডট কম' শেয়ার মার্কেটের প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সততার সহিত পরিবেশন করে এবং কোন সময় অতিরঞ্জিত, ভুল তথ্য প্রকাশ করেনা এবং গুজব ছড়ায়না, বরং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে বদ্ধ পরিকর। এটি একটি স্বাধীন, নির্দলীয় এবং অলাভজনক প্রকাশনা মাধ্যম।

    View all posts
Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।