গত কয়েকমাস যাবৎ দেশের প্রধান শেয়ার বাজার ডিএসইতে তিনশো থেকে সাতশো কোটি টাকার মধ্যে লেনদেন উঠানামা করছে। যা লেনদেন হচ্ছে ঘুরে ফিরে একটা গন্ডির মধ্যে আবদ্ধ কিছু শেয়ারের লেনদেনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ আছে।
বাজার বাড়লে ঐ নির্দিষ্ট শেয়ার গুলোই বাড়ছে আবার বাজারে যখন ঐ নির্দিষ্ট শেয়ার গুলির দাম পতন হচ্ছে তখন সেগুলির পাশাপাশি যেগুলি বাড়েনি সেইসব শেয়ার গুলির দাম পতন হচ্ছে।
ঐ নির্দিষ্ট শেয়ার গুলিতে চলছে হার্ডিং ইফেক্ট বাড়লে সব বাড়ে কমলে সব কমে। এ যেন এক বানরের পিচ্ছিল বাশের ওঠার মতো অবস্থা।
সবচেয়ে মজার ব্যাপার শেয়ার বাজার নিয়ে লেখা পেপার গুলি ৪/৫ পয়েন্ট সূচক বাড়লে বাজার উত্থানে আছে বলে রিপোর্ট করে আবার ৪/৫ পয়েন্ট সূচক কমলেও রিপোর্ট করে শেয়ার বাজারে পতন অব্যাহত। বাজার নিয়ে পত্রিকাগুলোর ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ। বিভিন্ন সময় এই পেপারগুলো বাজারের ক্ষতি করে আসছে ভুলভাল খবর উপস্থাপনা ও রিপোর্ট করে।
বাজার নিয়ে মানুষের মধ্যে ভিতি কাজ করছে। ভীতিগ্রস্ত হবার মূল কারণে বাজারে মৌলভিত্তি সম্পন্ন ভালো শেয়ারের লেনদেন না হওয়া।
আশ্চর্যজনক হলে ও সত্য বাজারের ভালো মানের শেয়ারের সিংহভাগ শেয়ার ফ্লোরে আটকে আছে।
আজ টেলিফোনে ঢাকা শেয়ার বাজার ডটকমকে বিনিয়োগকারী শাহাদাত হোসেন জানান প্লিজ আপনারা ফ্লোর নিয়ে একটু লিখেন, আমরা আর পারছিনা। আমরা কি ফান্ডামেন্টাল শেয়ার কিনে কি পাপ করেছি? আমাদের ভালো শেয়ার কেনা কি ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। প্রয়োজনে টাকা তুলব আবার বিনিয়োগ করবো, এ কারনেই তো আমরা শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করি। তিনি আরও জানান শেয়ার বাজারে দ্রত টাকা নগদায়ন করা যায় বলেই তো আমরা এখানে বিনিয়োগ করি।
সার্বিক বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায় বাজার বাড়লে কমলেও ফ্লোরে আটকে থাকা বিনিয়োগকারীদের কোন উপকার হচ্ছেনা। বিনিয়োগকারীদের দাবী ফ্লোরের শেয়ারের যাতে স্বাভাবিক লেনদেনে ফিরে আসে, সে ব্যাপারে যেন ব্যবস্থা নেয় নীতিনির্ধারকরা।
পাশাপাশি ফ্লোরের নিচে ব্লক মার্কেটে ৫ লাখ টাকার সীমাবদ্ধতা তুলে দেয়ার ও দাবী জানাচ্ছে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।