অর্থ লিপি

১ মে ২০২৬ শুক্রবার ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩

পিঁয়াজে কারসাজির অভিযোগ, এক লাফে ৪০ টাকা বেড়ে গেল

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

এবার দেশের পেঁয়াজের বাজারে শুরু হয়েছে অস্থিরতা। মাত্র পাঁচ-ছয় দিনের ব্যবধানে কেজিতে দাম বেড়েছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। রাজধানীর বাজারগুলোতে এখন ভালো মানের দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১৫ থেকে ১২০ টাকায়।

আমদানিকারকদের দাবি, সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে। গত মাসে মুড়িকাটা পেঁয়াজ লাগানো হয়েছে। কিন্তু কয়েকদিন আগে ভারী বৃষ্টিপাতে সেসব পেঁয়াজ গাছ নষ্ট হয়ে গেছে। সরকার আমদানির অনুমতি দিলে দুই দিনের মাথায় দাম অর্ধেকে নেমে যাবে।

তবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, বর্তমানে দেশে পেঁয়াজের কোনো ঘাটতি নেই। পর্যাপ্ত পেঁয়াজ আছে। এ মুহূর্তে আমদানির অনুমতি দিলে কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। বাজারসংশ্লিষ্টদের মতে, এটি দামের কোনো স্বাভাবিক ওঠানামা নয় বরং একটি সিন্ডিকেট পরিকল্পিতভাবে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়িয়েছে; যাতে সরকার আমদানির অনুমতি দিতে বাধ্য হয়।

সরবরাহ ঘাটতির কারণে দাম বাড়ছে এমন অজুহাত মানতে নারাজ ভোক্তাসংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, কৃষকের ঘরে পেঁয়াজ কমে গেছে। পেঁয়াজ চলে গেছে মজুতদারদের হাতে। প্রতিবছর এই সময় পেঁয়াজের সংকট দেখিয়ে দাম বাড়ানো হয়। এবারও মজুতদাররা সিন্ডিকেট করে পেঁয়াজ আটকে রেখে দাম বাড়াচ্ছে। সরকারি সংস্থাগুলোকে এখনই তদারকি ও নজরদারি বাড়াতে হবে। সারাদেশে কী পরিমাণ পেঁয়াজ মজুত আছে তা খতিয়ে দেখার জন্য সরকারের কাছে আহ্বান জানান তারা।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, এক মাসের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে প্রায় ৫২ শতাংশ। তবে এক বছর আগের তুলনায় দাম এখনও ২২ শতাংশ কম। গতকাল বুধবার রাজধানীর মালিবাগ, কারওয়ান বাজার ও আগারগাঁওয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতি কেজি দেশি ভালো মানের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১৫ থেকে ১২০ টাকায়। পাঁচ-ছয় দিন আগে এই দাম ছিল ৮০ টাকার আশপাশে। সেই হিসাবে কেজিতে বেড়েছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, দেশে পেঁয়াজের বার্ষিক চাহিদা রয়েছে ২৫ থেকে ২৭ লাখ টন। দেশীয় উৎপাদন ৩৫ থেকে ৩৭ লাখ থেকে লাখ টন। পেঁয়াজ সংরক্ষণের সময় প্রক্রিয়াজাতকরণে নষ্ট হয়ে যায় ২৫ শতাংশের মতো। ফলে প্রতি বছর ছয় থেকে সাত লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়। বিশেষ করে ভারত প্রতিবেশী দেশ হওয়ায় সহজে ও কম সময়ে দেশটি থেকে বাংলাদেশ পেঁয়াজ আমদানি করতে পারে। কিন্তু এখন আমদানি বন্ধ রয়েছে।

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।