অর্থ লিপি

২১ এপ্রিল ২০২৬ মঙ্গলবার ৮ বৈশাখ ১৪৩৩

কোলেস্টেরলের ভাল-মন্দ (পর্ব-৭)

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

আমরা এই পর্বে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ঔষধের ব্যবহার ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করব।

 

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ঔষধের প্রয়োজনীয়তা আছে কি?

কোলেস্টেরল লেভেল কমানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের ঔষধ আছে। এগুলো বিভিন্ন উপায়ে বক্র পথে কোলেস্টেরল কমায় :

Inhibitors of Cholesterol Synthesis – লিভার কর্তৃক কোলেস্টেরল প্রোডাকশন বন্ধ করা। যেমন – Statins.

Inhibitors of Bile Acid Absorption

Inhibitors of Cholesterol Absorption

নানা ধরনের নানান নামে কোলেস্টেরল মেডিসিন বিক্রি হচ্ছে, আর মানুষ খেয়ে যাচ্ছে। সবচেয়ে পপুলার ঔষধ হচ্ছে – Statins বিভিন্ন ব্রান্ড নেইমে স্টেটিন ওভার প্রেসক্রিপশন হচ্ছে, পাবলিক মুড়ির মত খাচ্ছে। কিন্তু এসব ওষুধের লংটার্ম প্রভাব কতটা ভয়াবহ তা কি ভেবে দেখেছে?

Statins এর ভয়াবহতা :

ব্লাড সুগার লেভেল বাড়াতে পারে। ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, স্থুলতা, ডায়াবেটিস তৈরি করতে পারে, মেমোরি লস হতে পারে। নিউরোলজিক্যাল সমস্যা হতে পারে। লিভার প্যানক্রাস ইনফ্লেমেশন হাতে পারে। কিডনি সমস্যা হতে পারে। মাথাব্যথা, ঘুম সমস্যা, ডাইজেশন সমস্যা ইত্যাদি শর্টটার্ম সাইড এফেক্ট। মাসল পেইন, হেয়ার লস হতে পারে। যৌন সমস্যা হতে পারে।

হাই কোলেস্টেরল যতটা না খারাপ, এসব ঔষধের বিরূপ ফল তার চেয়েও খারাপ। অথচ ন্যাচারাল পদ্ধতিতে ডায়েট লাইফস্টাইল মডিফাই করে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ কতই না সহজ!

পরবর্তী পর্বে (পর্ব) থাকবে কোলেস্টেরল কখন দুঃশ্চিতার কারণ হয়?এই বিষয় নিয়েআলোচনা।

লিখেছেন

ইঞ্জিনিয়ার সফিকুল ইসলাম

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।