প্রতিটি শিশুর হাসি, স্বপ্ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু পরিবারের নয়, পুরো সমাজের দায়িত্ব। সাম্প্রতিক সময়ে শিশুদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের সহিংসতা ও অপরাধের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় শিশু সুরক্ষার বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে হলে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং রাষ্ট্রকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। শিশু যেন ভয়, আতঙ্ক কিংবা অনিরাপত্তার মধ্যে নয়, বরং ভালোবাসা, স্নেহ ও নিরাপত্তার পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারে, সে বিষয়টি নিশ্চিত করা জরুরি।
সচেতন পরিবার, দায়িত্বশীল সমাজ এবং মানবিক মূল্যবোধের চর্চাই পারে শিশুদের জন্য নিরাপদ আগামী গড়ে তুলতে। এ ক্ষেত্রে অভিভাবকদের পাশাপাশি সমাজের প্রতিটি নাগরিকের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। শিশুদের প্রতি সহিংসতা, নির্যাতন ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার পাশাপাশি তাদের অধিকার ও নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দল, মত ও ধর্মের বিভেদ ভুলে দেশের প্রতিটি মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে শিশু সুরক্ষায় সচেতন ভূমিকা পালন করতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগ এবং সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমেই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, সুন্দর ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব।
শিশুরা দেশের ভবিষ্যৎ। তাই তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা মানে একটি নিরাপদ ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনের ভিত্তি শক্তিশালী করা। এখনই সময় শিশুদের সুরক্ষায় পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত দায়িত্ব পালনের।