আমরা এই পর্বে কোলেস্টেরল কখন মানুষের জন্যে দুঃশ্চিতার কারণ হয়? সে বিষয় আলোকপাত করব।
কোলেস্টেরল কখন দুঃশ্চিতার কারণ হয়?
আমরা জানি কোলেস্টেরল দেহের জন্য অত্যন্ত দরকারী উপাদান। কিন্তু দুঃশ্চিতার কারণ হয়ে উঠে তখন যখন HDL এর তুলনায় LDL খুব বেড়ে যায় এবং যখন LDL অক্সিডাইজ হয়ে যায়। মোট কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইড কিছুটা বেড়ে গেলে অতটা দুঃশ্চিতার কিছু নাই। অনুপাত ঠিক থাকলে নিরাপদ।
অক্সিডাইজড কোলেস্টেরল এর পরিমান বেড়ে গেলে তা রক্তনালীর গাত্রে জমা হয়ে প্লাক বাক্লট সৃষ্টি করতে পারে। এর ফলে উচ্চ রক্তচাপ, হার্ট এটাক্ট ও স্ট্রোক হতে পারে। অক্সিডাইজড কোলেস্টেরল বিভিন্ন অর্গানে ক্রনিক ইনফ্লেমেশন সৃষ্টি করতে পারে।

কোলেস্টেরল অক্সিডাইজ হয় কিভাবে?
ফ্রাইড ফুড (চিকেন ফ্রাই, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, ভাজাপোড়া), ইন্ডাস্ট্রিয়াল তেল (সয়াবিন, পাম, ক্যানোলা, রাইস বার্ণ, ট্রান্স ফ্যাট) ,টক্সিন লোড,ক্রনিক স্ট্রেস, ধুমপান
কোলেস্টেরল রেশিও:
মোট কোলেস্টেরলকে HDL দিয়ে ভাগ করলে কোলেস্টেরল রেশিও পাওয়া যায়। এর মান ৩.৫ এর নিচে থাকলে নিরাপদ। এই অনুপাত ৫ এর উপরে গেলে বিপদের আশঙ্কা থাকে।
পরবর্তী পর্বে (পর্ব–৯) থাকবে কোলেস্টেরল সমস্যার স্থায়ী সমাধান, এই বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা।
লিখেছেন
ইঞ্জিনিয়ার সফিকুল ইসলাম