আমরা এই পর্বে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ঔষধের ব্যবহার ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করব।
কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ঔষধের প্রয়োজনীয়তা আছে কি?
কোলেস্টেরল লেভেল কমানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের ঔষধ আছে। এগুলো বিভিন্ন উপায়ে বক্র পথে কোলেস্টেরল কমায় :
Inhibitors of Cholesterol Synthesis – লিভার কর্তৃক কোলেস্টেরল প্রোডাকশন বন্ধ করা। যেমন – Statins.
Inhibitors of Bile Acid Absorption
Inhibitors of Cholesterol Absorption

নানা ধরনের নানান নামে কোলেস্টেরল মেডিসিন বিক্রি হচ্ছে, আর মানুষ খেয়ে যাচ্ছে। সবচেয়ে পপুলার ঔষধ হচ্ছে – Statins। বিভিন্ন ব্রান্ড নেইমে স্টেটিন ওভার প্রেসক্রিপশন হচ্ছে, পাবলিক মুড়ির মত খাচ্ছে। কিন্তু এসব ওষুধের লং–টার্ম প্রভাব কতটা ভয়াবহ তা কি ভেবে দেখেছে?
Statins এর ভয়াবহতা :
ব্লাড সুগার লেভেল বাড়াতে পারে। ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, স্থুলতা, ডায়াবেটিস তৈরি করতে পারে, মেমোরি লস হতে পারে। নিউরোলজিক্যাল সমস্যা হতে পারে। লিভার ও প্যানক্রাস ইনফ্লেমেশন হাতে পারে। কিডনি সমস্যা হতে পারে। মাথাব্যথা, ঘুম সমস্যা, ডাইজেশন সমস্যা ইত্যাদি শর্ট–টার্ম সাইড এফেক্ট। মাসল পেইন, হেয়ার লস হতে পারে। যৌন সমস্যা হতে পারে।
হাই কোলেস্টেরল যতটা না খারাপ, এসব ঔষধের বিরূপ ফল তার চেয়েও খারাপ। অথচ ন্যাচারাল পদ্ধতিতে ডায়েট ও লাইফস্টাইল মডিফাই করে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ কতই না সহজ!
পরবর্তী পর্বে (পর্ব–৮) থাকবে কোলেস্টেরল কখন দুঃশ্চিতার কারণ হয়?এই বিষয় নিয়েআলোচনা।
লিখেছেন
ইঞ্জিনিয়ার সফিকুল ইসলাম