অর্থ লিপি

৩০ জুন ২০২৬ মঙ্গলবার ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

বিশ্ববাজারে সোনা দামে বড় পতন

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম ১ শতাংশের বেশি কমেছে। মধ্যপ্রাচ্যের অনিশ্চয়তার চেয়ে এখন উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার বাড়তে পারে; এমন প্রত্যাশাই বাজারে বেশি প্রভাব ফেলছে।

এর ফলে সোনার দাম অক্টোবর ২০০৮-এর পর সবচেয়ে বড় মাসিক পতনের পথে রয়েছে।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (৩০ জুন) স্পট মার্কেটে সোনার দাম ১ দশমিক ৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৩ হাজার ৯৫৬ দশমিক ৯২ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

চলতি মাসে এখন পর্যন্ত সোনার দাম ১২ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে, যা টানা চতুর্থ মাসিক পতন। একই সময়ে আগস্ট ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণের ফিউচার ১ দশমিক ৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৩ হাজার ৯৬৯ দশমিক ৩০ ডলারে নেমেছে।

২০২৪ সালের পর এটিই বুলিয়নের প্রথম ত্রৈমাসিক দরপতন। পাশাপাশি ২০১৩ সালের জুন ত্রৈমাসিকের পর এটিই সবচেয়ে বড় ত্রৈমাসিক পতন। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম তীব্রভাবে বেড়ে যাওয়ায় মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং সুদের হার বৃদ্ধির জল্পনাও জোরালো হয়েছে।

মারেক্সের বিশ্লেষক এডওয়ার্ড মেয়ার বলেন, বর্তমানে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি, উচ্চ সুদের হারের প্রত্যাশা এবং শক্তিশালী ডলার-এই তিনটি বিষয় সোনার দাম বাড়ানোর পক্ষে থাকা অন্যান্য ইতিবাচক কারণকে ছাপিয়ে যাচ্ছে।

যদিও সোনাকে দীর্ঘদিন ধরে মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হয়, তবে উচ্চ সুদের হারের পরিবেশে এই মূল্যবান ধাতুর আকর্ষণ কমে যায়। সিএমই ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, ট্রেডাররা এখন চলতি বছরে ফেডারেল রিজার্ভের তিন দফা সুদের হার বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছেন। এছাড়া সেপ্টেম্বরে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা বর্তমানে প্রায় ৬৪ শতাংশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

ফেডের পরবর্তী নীতিগত অবস্থান সম্পর্কে ধারণা পেতে বিনিয়োগকারীরা এখন এ সপ্তাহে প্রকাশিতব্য জুন মাসের এডিপি কর্মসংস্থান এবং অকৃষি কর্মসংস্থানের তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছেন।

এদিকে মার্কিন ডলার টানা দ্বিতীয় মাসের মতো লাভের পথে রয়েছে। এতে অন্যান্য মুদ্রার ব্যবহারকারীদের জন্য ডলার ভিত্তিক মূল্যবান ধাতু কেনা আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে।

অন্যদিকে, এ সপ্তাহে দোহায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য আলোচনার ফলাফলের দিকে নজর রাখছেন বিনিয়োগকারীরা। যদিও ইরান জানিয়েছে, এমন কোনো বৈঠক নির্ধারিত হয়নি। একই সময়ে তেলের দাম ২০২০ সালের পর সবচেয়ে বড় ত্রৈমাসিক পতনের পথে রয়েছে।

এডওয়ার্ড মেয়ারের ধারণা, বছরের দ্বিতীয়ার্ধে স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্স ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার ৪০০ ডলারের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে।

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।