অর্থ লিপি

১১ এপ্রিল ২০২৬ শনিবার ২৮ চৈত্র ১৪৩২

যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতির নতুন চাপ: মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে তেলের দাম বাড়ার প্রভাব অর্থনীতিজুড়ে

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের সরাসরি প্রভাবে তেলের দাম বেড়ে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে নতুন চাপ তৈরি হয়েছে। মার্চ মাসে দেশটির মূল্যস্ফীতি পৌঁছেছে প্রায় দুই বছরের সর্বোচ্চে।

মার্চ মাসে যুক্তরাষ্ট্রে ভোক্তা মূল্যসূচক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩.৩%, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ২.৪%। ২০২২ সালেরপর এটাই সবচেয়ে বড় মাসিক উল্লম্ফন, তখন রাশিয়ার ইউক্রেন আগ্রাসনের কারণেবিশ্ব জ্বালানি বাজারে বড় ধাক্কা লাগে।

মাত্র এক মাসেই গ্যাসোলিনের দাম বেড়েছে ২১% এর বেশি। ১৯৬৭ সালে হিসাব রাখাশুরু হওয়ার পর যা সর্বোচ্চ মাসিক বৃদ্ধি। যা ইতিহাসে সর্বোচ্চ মাসিক বৃদ্ধি একইসময়ে ভারী তেলের দাম ৩০ শতাংশের বেশি বেড়েছে, ২০০০ সালের পর সবচেয়েবেশি।

এই উল্লম্ফনের বড় কারণ জ্বালানির দাম, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তেলের সরবরাহে ধাক্কা লাগা।এর প্রভাব পড়েছে পরিবহন, বিমানভাড়া, পোশাকসহ নানা খাতে। সাধারণ মানুষের ব্যয়ও বেড়ে গেছে—আগে যেখানে ৫০–৬০ ডলারে গাড়ির তেল ভরা যেত, এখন লাগছে ৭০–৮০ ডলার বা তারও বেশি।

বিশ্লেষকদের মতে, আপাতত এটি জ্বালানিনির্ভর মূল্যস্ফীতি হলেও সময়ের সঙ্গে পুরো অর্থনীতিতে এর প্রভাব আরও ছড়িয়ে পড়তে পারে। যদিও ‘কোর ইনফ্লেশন’ তুলনামূলক নিয়ন্ত্রিত, তবুও ভবিষ্যতে খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে বাড়তি খরচে ভোক্তা আস্থা কমছে, আর রাজনৈতিক চাপও বাড়ছে। সাময়িক বলে আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবতা হলো, যুদ্ধের প্রভাব এখন সরাসরি মানুষের পকেটে লাগছে।

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।