দেশের সরকার পরিবর্তনে মানুষের মধ্যে স্বস্তি এসেছে, অর্থনিতি মুক্তি পেয়েছে রাহুর গ্রাস থেকে, মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমাদের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে। রেমিট্যান্স আসবে, বিদেশি বিনিয়োগও বাড়বে এমনটাই মনে করছে দেশের জনতা।
দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে শেয়ার বাজারে যেন সুবাতাস বইতে শুরু করেছে, ফিরতে শুরু করেছেন বিনিয়োগকারীরা। যার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে মূল্যসূচকে ও লেনদেনে। গত সপ্তাহে শেষ তিন কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৬৯৫ পয়েন্ট। সূচকের এই বড় উত্থানে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে ভালো মৌলভিত্তি সম্পন্ন শেয়ার।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। তারা মনে করছেন সামনে বাজার ভালো হবে। এজন্য নিষ্ক্রিয় থাকা অনেক বিনিয়োগকারী সক্রিয় হচ্ছেন। সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, অনেক ভালো কোম্পানির শেয়ার অবমূল্যায়িত অবস্থায় ছিল। বিনিয়োগকারীরা সক্রিয় হওয়ায় সেসব শেয়ারের দাম বাড়ছে। এতে বাজার ঘুরে দাঁড়িয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে দেশের শেয়ার বাজারে মন্দাবস্থা বিরাজ করছিল। বিনিয়োগকারীরা বাজার নিয়ে হতাশ হয়ে পড়েছিল। কিন্তু দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তারা বাজারে ফিরতে শুরু করেছে। দেশের সরকার পরিবর্তনে মানুষের মধ্যে স্বস্তি এসেছে, অর্থনিতি মুক্তি পেয়েছে রাহুর গ্রাস থেকে, মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমাদের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে। রেমিট্যান্স আসবে, বিদেশি বিনিয়োগও বাড়বে।
বাজারে এখনো অনেক ভালো কোম্পানির শেয়ার অবমূল্যায়িত অবস্থায় আছে। তাই বিনিয়োগকারীদের উচিত মন্দ, বন্ধ কোম্পানির শেয়ার না কিনে ভালো কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করা। বাজারের প্রতি আস্থা ফিরে আসায় বিনিয়োগকারীরা বাজারমুখী হচ্ছেন। যৌক্তিক মূল্যের চেয়ে বেশি দরে শেয়ার কিনবেন না। ভালো কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করুন।