সামিট কমিউনিকেশনসের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান সামিট টাওয়ারস বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেডের ২ হাজার ১২টি টাওয়ার অধিগ্রহণ করেছে।
১১০০ কোটি টাকা অর্থমূল্যের এই চুক্তিটির ফলে প্রতিষ্ঠান দুটির মাঝে একটি স্থায়ী অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। একইসঙ্গে এটি বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো সেক্টরে সামিট-এর অবস্থান আরও দৃঢ় করেছে।
সামিট টাওয়ার-এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত এই অধিগ্রহণটি মোবাইল অপারেটরদের উন্নত নেটওয়ার্ক সেবা প্রদানের মাধ্যমে গ্রাহকদেরকে নিরবচ্ছিন্ন ফোর-জি সেবা প্রদানে সহায়তা করবে। একইসঙ্গে ফাইভ-জি সেবা প্রদানের ভিত্তিও স্থাপন করবে।
আরও পড়ুন…
এছাড়াও, মানসম্মত টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোগত সেবা, ইন্টিগ্রেটিং ফাইবার, টাওয়ার ও নতুন চালু হতে যাওয়া সাবমেরিন কেবল সেবা প্রদান করার ক্ষেত্রে সামিট টেলিকমিউনিকেশনস-এর সক্ষমতাকে বাড়াবে। যা প্রতিষ্ঠানটিকে এর অংশীদার ও গ্রাহকদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে সহায়তা করবে।
বাংলালিংক-এর জন্যও এই চুক্তিটি একটি বড় মাইলফলক হয়ে থাকবে, কারণ দেশজুড়ে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ ও রক্ষণাবেক্ষণের খরচ বাঁচানো ছাড়াও এটি সেবার মান বৃদ্ধি ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় সহায়তা করবে।
এই মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে সামিট কমিউনিকেশনস গ্রুপ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪-এ হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল-এর গ্র্যান্ড বলরুম রূপসী বাংলাতে ‘সেলিব্রেটিং সিনার্জি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, বিশেষ অতিথি হিসেবে আইসিটি বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সামসুল আরেফীন ও বিটিআরসি চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. মহিউদ্দিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সামিট গ্রুপ-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান।
আরও পড়ুন…
যে ৩ কারণে সামিট পাওয়ারের মুনাফা ও লভ্যাংশ কমেছে
এছাড়াও সাফল্য উদযাপনের এই বিশেষ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ফরিদ খান, ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও মো. আরিফ আল ইসলাম ও এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মিস ফাদিয়া খান
এই যৌথ উদ্যোগকে উদযাপন করতে ভিওন-এর গ্রুপ সিইও কান তেরজিওগ্লু, বাংলালিংক-এর সিইও এরিক অসসহ বাংলালিংক-এর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
সামিট গ্রুপ অব কোম্পানিজ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আজিজ খান বলেন, কোভিড, যুদ্ধ, মার্কিন সুদের হারের পরও এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছাতে সরকারের নীতিমালার পাশাপাশি ইন্টারনেট ও সকলের হাতে মোবাইল ফোন তথা ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নের কারণে এটি সম্ভব হয়েছে।
উভয় ক্ষেত্রেই যুক্ত থাকতে পারা সামিটের জন্য বিশেষ সম্মানের। একইভাবে এই টাওয়ার অধিগ্রহণ বাংলাদেশ-এর মধ্যম আয়ের দেশে উন্নিত হওয়া, দারিদ্র্য বিমোচন ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার মহান যাত্রারই একটি অংশ।
Author
-
'অর্থ লিপি ডট কম' একটি নির্ভরযোগ্য শেয়ার বাজার ভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল। অর্থ ও বাণিজ্য, রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণমূলক লেখা প্রকাশ করে।
View all posts
'অর্থ লিপি ডট কম' শেয়ার মার্কেটের প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সততার সহিত পরিবেশন করে এবং কোন সময় অতিরঞ্জিত, ভুল তথ্য প্রকাশ করেনা এবং গুজব ছড়ায়না, বরং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে বদ্ধ পরিকর। এটি একটি স্বাধীন, নির্দলীয় এবং অলাভজনক প্রকাশনা মাধ্যম।