পুজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের ৩৫ টি ব্যাংকের মধ্যে ইতিমধ্যেই সবগুলি ব্যাংক ১ম প্রান্তিক ইপিএস ঘোষণা করেছে।

৩৫ টি ব্যাংকের মধ্যে ১৭ টি ব্যাংকের গত বছরের চেয়ে আয় (ইপিএস) বেড়েছে। বাকি ১৮ টি ব্যাংকের মধ্যে গত বছরের চেয়ে আয় (ইপিএস) কিছুটা কমেছে ১৪ টি ব্যাংকের। ২ টিব্যাংকের আয় (ইপিএস) আগের বছরের মতোই হয়েছে,আর ২ টি ব্যাংক প্রথম প্রান্তিকে লোকসানে পরেছে,যা গত বছরের চেয়ে ও বেশি লোকসান করেছে।
যারা সময় নিয়ে বিনিয়োগ করে তাদের অনেকেরই বিনিয়োগের তালিকায় ব্যাংক খাতের শেয়ার থাকে।
উল্লেখ্য চলতি অর্থ বছরের মুদ্রানীতিতে সুদ হার বাড়ানো ও ব্যাংক পরিচালকদের মেয়াদ ৯বছরে থেকে ১২ বছর মেয়াদ হবার ফলে আগামীতে এই খাতের প্রতি আগ্রহ দেখা যেতে পারে।
যারা প্রকৃত বিনিয়োগকারী তাদের বিনিয়োগ তালিকায় অবশ্যই ব্যাংক খাতের শেয়ার হাতেথাকে।অবশ্য যারা শরীয়া মেনে চলেন তাদের অনেকেই এই খাতে বিনিয়োগ করেন না।তবে কিছু কিছু শরীয়া ব্যাংক ও আছে আমাদের দেশের পুঁজিবাজারে।
সার্বিকভাবে বাজার বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় বড় বিনিয়োগকারগন ব্যাংক খাতে বিনিয়োগ করে ভালো ফল পান।বড় বিনিয়োগকারীগন এই খাতে বিনিয়োগ করে তারা পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত অন্য সব শেয়ারের তুলনায় ভালো ডিভিডেন্ড ইয়েল্ড পেয়ে থাকেন।
যারা ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বিনিয়োগ করেন তাদের অনেকেরই পছন্দের তালিকায় প্রথমে থাকে ব্যাংক খাতের শেয়ার।