মাত্র ৭ দিনের ব্যবধানে আবারও সোনার দাম বেড়েছে। এর ফলে সোনার ভরি প্রতি দাম আবার লাখ টাকা ছাড়াল। এবার ভালো মানের সোনা অর্থাৎ হলমার্ক করা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা বিক্রি হবে ১,০১,২৪৪ টাকা। এটিই এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে সোনার সর্বোচ্চ দাম। আজ শুক্রবার ২৫ আগস্ট ,২০২৩ থেকে সারা দেশে সোনার নতুন এই দাম কার্যকর হবে।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) গতকাল বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোনার মূল্য বৃদ্ধির তথ্য জানায়। এতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে পাকা সোনার দাম বেড়েছে। সেকারণে সোনার দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সমিতি।
উল্লেখ্য গত ২১ জুলাই দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সোনার দাম ১ লাখ টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। তখন প্রতি ভরি সোনার দাম দাঁড়ায়েছিল ১,০০,৭৭৭ টাকা। এরপর ১৭ আগস্ট তা আবার কমে দাড়িয়েছিল ৯৯,০২৭ টাকা। মাত্র ৭ দিনের ব্যবধানে দাম আবার বাড়িয়েছে জুয়েলার্স সমিতি।
যদিও চলতি বছরের শুরুতে সোনার ভরি ৯০ হাজার টাকা ছাড়িয়ে যায়। গত ১৯ মার্চসোনার ভরি প্রতি দাম এক লাফে ৭,৬৯৮ টাকা বাড়ানো হয়। তখন সোনার ভরি ৯৮,৭৯৪টাকায় পৌঁছায়। তারপর কয়েক দফা দামের উত্থান–পতনের পর শেষমেশ প্রথমবারের মতোদেশের বাজারে সোনার ভরি এক লাখ টাকা ছাড়ায়।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) তথ্য অনুযায়ী, আগামীকাল শুক্রবার থেকে ভালোমানের সোনার দাম ভরিতে ২,২১৭ টাকা বাড়বে। এতে হলমার্ক করা ২২ ক্যারেটের এক ভরিসোনার দাম হবে ১,০১,২৪৪ টাকা। এ ছাড়া হলমার্ক করা প্রতি ভরি ২১ ক্যারেট সোনা৯৬,৬৩৬ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৮২,৮১৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনা ৬৯,০৫১ টাকায়বিক্রি হবে। এর মধ্যে ২১ ক্যারেটে সোনার প্রতি ভরিতে ২,০৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটে ১,৭৪৯টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনায় ১,৫১৬ টাকা বেড়েছে।
গতকাল ২৪ ই আগস্ট ,২০২৩ পর্যন্ত হলমার্ক করা প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট সোনা ৯৯,০২৭ টাকা, ২১ ক্যারেট ৯৪,৫৯৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৮১,০৬৫ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির সোনা ৬৭,৫৩৫টাকা দামে বিক্রি হয়েছে।
অন্যদিকে রুপার দাম অপরিবর্তিত থাকছে। হলমার্ক করা প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট রুপার দামএখন ১,৭১৫ টাকা
যা অবস্থা দাড়িয়েছে মুদ্রাস্ফীতির এই চাপে সাধারণ মানুষ আর সোনা ব্যবহার করতে পারবেনা।শুধু ব্যবহারকারী নয় সোনার এই লাগামহীন দাম বাড়ার ফলে তৃনমুল পর্যায়ের ছোট ছোট সোনার কারীগর(স্বর্ণকার)দের আদিম পেশা হুমকির মুখে দাড়িয়েছে।মুদ্রাস্ফীতির চাপে সাধারণ আমজনতার ক্রয় ক্ষমতা কমে যাবার ফলে তৃনমুল পর্যায়ের ছোট ছোট সোনার কারীগর(স্বর্ণকার)দের ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য হবে।যা অবস্থা সোনার ব্যবসা আগামীতে বড় মাফিয়াদের হাতে চলে যাবে যার ফলে ভবিষ্যতে এই সোনার দাম লাগামহীন ঘোরা হবে।